আরও চারটি পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে সহায়তা করবে সরকার। পণ্যগুলো হলো চা, বাইসাইকেল, ও বাইসাকেলের যন্ত্রাংশ, এমএস স্টিল পণ্য এবং সিমেন্ট শিট।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে এই চারটি পণ্য রপ্তানির বিপরীতে পাওয়া যাবে ৪ শতাংশ সাহায়তা।
করোনা ভাইরাসের মাহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানিকারকদের উৎসাহিত করতে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সাহায়তা বা প্রণোদনা দেওয়া শুরু করে সরকার।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, গত দুই অর্থবছরে যেসব পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ অর্থ সাহায়তা দেওয়া হচ্ছিল, চলতি অর্থবছরেও তা বহাল থাকবে। পাশাপাশি নতুন এই চারটি খাত ওই তালিকায় যুক্ত হবে।
পাশাপাশি বিশেষায়িত অঞ্চলের জন্য বিদ্যমান সহায়তার আওতা বাড়ানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক এবং বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে শতভাগ দেশীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বা টাইপ-সি শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আগে যে সব সহায়তা ছিল সেগুলো অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি এখন থেকে শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন বা টাইপ-এ এবং দেশি-বিদেশি যৌথ মালিকানাধীন বা টাইপ-বি প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে রপ্তানি প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে।
এছাড়া বিশেষায়িত অঞ্চলের সকল ক্যাটাগরিভুক্ত প্রতিষ্ঠান দেশের বাইরে অন্যান্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে রপ্তানি প্রণোদনা পাবে।
সফটওয়্যার ও আইটিইএস সেবা রপ্তানির বিপরীতে ব্যক্তি পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সাররা ৪ শতাংশ হারে রপ্তানি ভর্তুকি পাবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে আবেদনকারী ফ্রিল্যান্সারদের সরকার প্রদত্ত রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড থাকতে হবে।