ঢাকা, রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বুলুর প্রতিবাদ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করেছে সরকার, যা রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এফবিসিসিআইয়ের জেনারেল বডির মেম্বার ও বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ  ব্যবসাযী এসোসিয়েশনের সভাপতি  আমিনুল  ইসলাম বুলু । জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে সাধারণ মানুষের ওপর “মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৈশ্বিক পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে দেশের ভেতরে তেলের দাম বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে।জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে সেচ, পরিবহন ও কৃষি উপকরণের খরচ বেড়ে যাবে, যা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করাই কঠিন হয়ে পড়বে বলে তিনি মনে করেন।তিনি অনতিবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন এবং এই “জনবিরোধী” সিদ্ধান্ত থেকে বের হয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন । বর্তমান সরকার সংকটকে সম্ভাবনায় রূপান্তরের নীতি নিয়েই এগোতে চায়। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে হঠাৎ মূল্য সমন্বয় করলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

 বিবৃতিতে বুলু আরো বলেন, সম্প্রতি ঘোষিত নতুন দরে ডিজেল লিটারে ১৫ টাকা, কেরোসিন ১৮ টাকা, অকটেন ২০ টাকা এবং পেট্রোল ১৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ধরনের খাতওয়ারি মূল্যবৃদ্ধি দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনে নতুন করে দুর্ভোগ ডেকে আনবে।

তিনি আরও জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর। খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের আয় না বাড়লেও ব্যয় বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়বে।এমনিতেই সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তা সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবিও জানান এই নেতা।