বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের পাঠানো বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়- তিনি বলেন প্রত্যেক সামর্থ্যবান সন্তানকে বাবা-মায়ের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও সঙ্গী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছাড়া তাঁদের কোনো বৃদ্ধাশ্রম বা আলাদা স্থানে পাঠানো যাবে না এবং একত্রে সাথে বসবাস করতে হবে। যদি চাকরি বা অন্য কারণে দূরে থাকলে নিয়মিত যোগাযোগ, দেখা-সাক্ষাৎ এবং যৌক্তিক পরিমাণে অর্থ পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে বৃদ্ধ-বৃদ্ধার সন্তান বেঁচে না থাকলে বা অনুপস্থিত থাকলে নাতি-নাতনিদের দাদা-দাদি বা নানা-নানির ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নিতে হবে। কেউ যদি এই আইন না মানে, সেক্ষেত্রে তাকে অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা জরিমানা বা অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানদের কেউ যদি এই আইন বাস্তবায়নে বাধা দেন, তাহলে তিনি একই শাস্তি ভোগ করবেন বলে আইনে বলা হয়েছে।”বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত যুগান্তকারী একটি আইন।