ভ্রমন পিপাসু মানুষ তার আত্নাকে সবল করতে এবং আত্নাবে সক্রিয় রাখতে ভ্রমন করে থাকে।আবার কেহ কেহ জ্ঞান আহরোনের জন্যও ভ্রমন করে থাকে। আন্তর্জাতিক পর্যটক ইবনে বতুতা তার মধ্যে অন্যতম এবং ফজলে নোহানী বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম। ভ্রমন দেশে বা দেশের বাইরেও হতে পারে। ভ্রমনে বাহির হওয়ার জন্য বেশ কিছু বিষয় প্রথমে বিবেচনায় আনতে হয়। তার মধ্যে অন্যতম হলো বয়স, মন, সঙ্গী, ভ্রমনের স্থান, যাতায়াত, আবাসিক ব্যবস্থা ও খরচের বিষয়টিকে। এসব বিষয়ের অবস্থান আর নিজের অবস্থানকে তুলনা করে ভ্রমনে বাহির হওয়া ভাল।
বাংলাদেশ শস্য শ্যামলে মাঠ ভরা ভসলের দেশ।এই শ্যামল ফসলের মাঠকে ঘিরে কৃষক-কৃষাণী, জীব-জানোয়ার, কীট-পতঙ্গ, গরু-মহিষের বসবাস। মাঠের পাশেই কাচা-পাকা রাস্তায় আধুনিক যানবাহনের চলাচল যেমন দৃষ্টি কাড়ে তেমনি রেল লাইনে চলন্ত রেলের দিকে তাকিয়ে থাকে ঘরে বসা নতুন-পরাতন বধু।আবার কেহ আকাশের উড়ন্ত বিমান দেখে তাতে ভ্রমন করারও স্বপ্ন দেখেন। আমরা যারা গাও গ্রামে জন্ম গ্রহন করে সেখানেই লেখা পড়ার পর শহরে এসেছি তাদের কাছে শ্যামল গ্রামের আবেদন আজও অফুরন্ত।শহরে বসে বসে গ্রামের পুরাতন আর নতুন অবস্থানকে যখন আমাদের ভাবনাকে গভির করে তুলে তখন মন বলে চল গ্রামে যাই।
সেই তাগিদ থেকে আপনিও নিজের গ্রাম বা বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলের দু-চারটি আধুনিক গ্রাম চষে বেড়াতে পারেন পরিবার পরিজন ও আত্নীয় স্বজন সহ। যা আপনাকে আপার আনন্দে ভাষাবে। এ আনন্দ শুধু উৎসবের নয়, এর মধ্যে রয়েছে জানার আনন্দ, আতিথেয়তা নেওয়া ও দেবার আনন্দ, নতুন এলাকার মানুষের কৃষ্টি-কালচার বুঝার আনন্দ, ধর্মীয় অনুভূতি সহ নানাহ প্রকার আনন্দ রয়েছে।
আপনি ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত একটি সংক্ষিপ্ত ভ্রমনে যেতে পারেন। এ ভ্রমনকে উপভোগ করতে আমার কিছু অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আপনার ভ্রমনকে সমৃদ্ধ করতে চাই।
ঢাকা থেকে আপনি বাসে রংপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারেন। সেক্ষেত্রে এস.আর, নাবিল, শ্যামলি পরিবহন সহ বেশ কয়েক ধরনের পরিবহনের মধে যে কোনটিতে আপনি বাসে ভ্রমন করতে পারেন। তবে এস.আর ট্রাভেল্সে ভ্রমন করলে ফুড ভিলেজে যাত্রা বিরতি আপনার ভ্রমনে আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।যাত্রপথে ফুড ভিলেজে এস.আর ট্রাভেল্স অবশ্যই যাত্রা বিরতি করবে। সেখানে আপনার ফ্রেস হওয়া, তুনধুল রুটি সহ সবজির ভাজি খাওয়া, দই-মিষ্ট ইত্যাদি খাওয়া ভ্রমনে আপনাকে ক্লান্ত হওয়ার হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা করবে। তারপরও আপনি বর্নিত যে কোন ট্রাভেল্সে ভ্রমন করতে পারেন।
গাবতলি থেকে বাসে উঠে আরাম করে বিলাস বহুল সিটে বসে পড়ুন। বাস আস্তে আস্তে গড়াতে থাকবে। আপনার দুচোখ বাহিরের দিকে নানাহ কিছু খুজে বেড়াবে। বাস ছাড়া সহসায় আপনি যা দেখতে পাবেন তা আপনার চেনা জানা। আস্তে আস্তে বাস আগাতে থাকবে আপনি নতুন নতুন বিষয় দেখতে থাকবেন। বাস গাবতলি থেকে প্রথমে যাত্রা শুরু করলে রাস্তার ডানে আমিন বাজার আর সামনে কিছূ দুর পার হলে বামে পড়বে হেমায়েতপুর্। হেমায়েতপুর থেকে একটি রাস্তা মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায় সংযুক্ত হয়েছে।এভাবে বেশদুর যাবেন আর দেখতে পাবেন- রাস্তার দুপাশে অধিকাংশ জায়গাজুড়ে আছে গার্মেন্টস শিল্প কারখানা।আর রাস্তায় গার্মেন্টস শিল্পের পুরুষ-মহিলা শ্রমিক রঙবেরঙের কাপড় পড়ে চলাচল করছে। তাদের মনে শুধু আনন্দ আর আনন্দ।যা বাংলাদেশের আগের কোন মানুষ দেখে চিন্তা করবে আমি কি স্বপ্ন দেখছি- স্বপ্নের রাজ্যে কারা চলাচল করছে। কিন্ত না ইহা এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।
এভাবে শিল্পকারখানার গাড়ি ও বাসের প্যাঞ্চেঞ্জার উঠানোর কারনে আপনার গাড়ি আস্তে আস্তে গড়াতে থাকবে। সাভার পার হয়ে বামে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিস্তর সবুজ এলাকার মধ্যে লাল ইটের ব্লিডিং আপনাকে অন্য আমেজের আনন্দ দিতেও পারে। এরই পাশে আছে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন কেন্দ্র।যেখান থেকে দেশের সকল আমলাকে হাতে খড়ি প্রদান করা হয়। ডানে বিরাট এলাকায় পশু প্রজনন ও সরকারি ডেইরী ফার্ম এলাকা আপনাকে দৃষ্টি আকর্ষন করবে। আরও সামনে বাস আগালে দেখতে পাবেন রাস্তার দুই পাশেই ক্যান্টনমেন্টের সুন্দর বিল্ডিং। আরও সামনে আগালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের একদম কাছাকাছি যেয়ে বাস ডানে টার্ন নিবে।
বাস যেখান থেকে ডানে টার্ন নিবে সেখান থেকে সোজা রাস্তা পশ্চিম দিকে মানিকগঞ্জ হয়ে আরিচা ঘাটে যমুনা নদীর সাথে সংযুক্ত হয়েছে।
বাস আস্তে আস্তে আগাতে থাকবে, হেল্পার মাঝে মধ্যে তার নানাহ সংকেত দ্বারা গাড়ি চালককে নির্দেশনা প্রদান করবে। কোন এক উপন্যাসে পড়েছিলাম একবাউ মেলে না দুইবাউ মেলে- যা দ্বারা পানির গভিরতা জাহাজের ক্যাপ্টেনকে নাবিক অবহিত করত। আর এখন বাসের সুপার ভাইজার সরালো কন্ঠে বলে যায যায়। চালক তা শুনে গাড়ির গেয়ার দিতে দিতে থাকে। একইভাবে কোন কোন সময় হেল্পার হাক দিয়ে উঠে আস্তে আস্তে সামনে জমা।হেল্পারের এসব সুরেলা কন্ঠের শব্দ বাস চালক অনুসরন করছে কিন তা আপনি পরখ করতে পারেন।সুপারভাইজার পূর্বে টিকিট করা যাত্রীদের নির্দিষ্ট লোকেশন থেকে পর্যায়ক্রমে বাসে উঠিয়ে নিবে। এভাবে খালি বাস একসময় প্যাসেঞ্জারে পুরো হয়ে যাবে। বাস আগাতে থাকবে একসময় দেখতে পাবেন ইপিজেড। তার পর দেখতে পাবেন নন্দন পার্ক এবং আর একটু সামনে যেয়ে চান্দুরা মোড়। এই মোড়ে বাস আবার বাম দিকে টার্ন নিয়ে চলতে থাকবে।সেখানে দেখতে পাবেন উপরদিয়েও বাস যাচ্ছে আর আপনার বাস তার নিচ দিয়ে যাচ্ছে।যাহা যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নের চিহ্ন। মোটামোটি এ পর্যন্ত প্যাসেঞ্জার উঠা শেষ হয়ে যাবে। হেলপার তার দরজা বন্ধ করে গাড়ি চালককে দ্রুত বেগে গাড়ি চালাতে দরাজায় ঠক ঠক করে টোকা দিয়ে সংকেত দিবে। গাড়িচালকও নড়েচড়ে বসে গাড়ির গিয়ার দিয়ে গাড়ি দ্রুত বেগে চালাতে চেষ্টা করবে।আরও কিছুদুর আপনি রাস্তার দুপাশে গামেন্টস দেখতে পাবেন। তার পর দেখবেন দুই পাশে মাঠের পর মাঠ শবুজে ঠাসা ফসল। এফসল নানাহ সময় নানারকম দেখা যায়। কৃষক তার কোমর বাকা করে ক্ষেতে গভির মনোযোগ সহকারে কাজ করছে।
বর্ষাকালে রাস্তার দুপাশে পানি আর পানি- দেখবেন শুধু অথই পানি থই থই করছে। মাঝে মধ্যে বিলের মধ্যে জেলেদেরকে নৌকা দিয়ে মাছ ধরতে দেখতে পাবেন। আপনার মন জেলেদের মাছ দেখার জন্য উতালা হবে। কিন্তু গাড়ির চালক ইতিমধ্যে গাড়ির গতি 70 কি:মি:/ঘন্টা এর উপরে দেয়ায় আপনার আর তাজা মাছ জেলের জালে ঠাহর করা সম্ভব নাও হতে পারে। কখনো 70 আবার কথনো 85 কি:মি: পার ঘন্টা বেগে চলছে গাড়ি। আপনার চোখের অবসর নেই, দেখতেই আছেন, মনে মনে ভাবছেন নানাহ চিন্তা, কিন্ত ভ্রমনের স্বাদ চিত্তে ঠিকই সঞ্চালিত হচ্ছে। এভাবে একসময় দেখতে পাবেন পাশ দিয়ে দ্রুত গতিতে আপনার বাসের সাথে পাল্লা দিয়ে রেলগাড়ি তার রাস্তা দিয়ে আপনার বাসকে অতিক্রম করছে। আপনি মোবাইলে এছবি সংগ্রহ করতে পারেন্। ইতিমধ্যে আপনি ঢাকা জেলা থেকের রওনা হয়ে মানিকগঞ্জ, গাজীপুর পার হয়ে টাংগাইল জেলায় এসে গেছেন। টাংগাইল জেলা শহরকে বামে রেখে শহরের বাহির দিয়ে গাড়ি দ্রুত গতিতে যমুনা্ নদীর উপর নির্মিত প্রায় 5 কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু সেতুর দিকে ছুটছে। হয়তো আপনি ইতিমধ্যে অনেক ছবি সংগ্রহ করে ফেলেছেন। এবার যমুনা নদী, নদীর চর, চরের মানুষ, নদীতে ছোট নৌকা আর বঙ্গবন্ধু সেতুর ছবি তুলতে আপনাকে প্রকৃতি মহা ব্যস্ততার মধ্যে ফেলে দিবে। বঙ্গবন্ধু সেতুর আগে গাড়ি গতি কমিয়ে গাড়ি চালক টোল দিয়ে গাড়িকে আস্তে আস্তে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর উঠাতে থাকবে। এরই ফাকে আপনার মোবাইলটি ছবি তোলার জণ্য প্রস্তুত করতে পারেন। আপনার চোখ যতদুর যায় ততদুর দেখা নাও যেতে পারে। যমুনা নদীর অপরূপ সৌন্দর্য আর বঙ্গবন্ধু সেতুর বিশাল দৈর্ঘ আপনাকে অনেক কিছু দিয়ে সমৃদ্ধ করবে।
বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর দিয়ে যমুনা নদী পার হয়েই উত্তর বঙ্গের দ্বার সিরাজগঞ্জে আপনি প্রবেশ করবেন। তবে সিরাজগঞ্জ শহরকে ডানে রেখে গাড়ি পত-পত শব্দ করে সোজ পশ্চিম দিকে আগাতে থাকবে। এখানেও মাঠের পর মাঠের নানাহ ফসলের মনোমুগ্ধকর শ্যামল দৃশ্য আপনার মনকে ভরে দিবে।
গাড়ি চলছে- কেহ ঘুমাচ্ছে, কেহ গল্প করছে, কেহ আবার প্রকৃতির নৈশর্গিক দৃশ্য দেখে আত্নার খোরাক নিচ্ছে। এভাবে একসময় হাটিকুমরুল (সিরাজগঞ্জ রোড) নামক চার রাস্তায় গাড়ি পৌছে যাবে।এই চার রাস্তার বাম দিকে পাবনা জেলার দিকে রাস্তা চলে গেছে। সোজা পশ্চিমদিকে নাটোর, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জের দিকে অনেক গাড়ি যাচ্ছে- যা আপনি দেখতে পাবেন। আপনার গাড়ি এই মোড়ে ডানে টার্ন নিবে এবং আবারও গাড়ির গতি বাড়িয়ে চালক গভির মনোযোগে গাড়ি চালাবে।এখানে এসে আপনি একটি বিখ্যাত মানুষ ও ইতিহাসের কথা স্মরন করতে পারেন। বৃটিশ আমলে সলংগা কৃষক বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সিরাজগঞ্জের মহাপুরুষ আমাদের সিরাজগঞ্জের গর্ব মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগিশ।যিনি ভাষা আন্দোলনেরও অন্যতম নেতা।এই প্রানপুরুষে জন্ম এই হাটিকুমরুল ইউনিয়নের টারুটিয়া গ্রামে।যার বাড়িটি এই চাররাস্তা থেকে সামান্য দুরে। আর সংলঙ্গা সামান্য পশ্চিমে।হঠাৎ আন্দাজ করতে পারবেন- চালক গাড়ির গতি কমাচ্ছে। অল্প কিছু সময় পরই সুপারভাইজার বলে উঠবে সামনে ফুড ফিলেজে 20 মিনিটি যাত্র বিরতি। আপনার গাড়ির নাম্বারও সুপারভাইজার মনে করিয়ে দিবে।যাতে করে ফুড ফিলেজে দাড়ানো অনেক গাড়ির মধ্যে আপনা গাড়ি সহজে বের করে আপনি আপনার গাড়িতে যথারীতি উঠতে পারেন। ফুড ফিলেজে নেমে ফ্রেস হয়ে আপনার পছন্দের খাবার খাবেন আর এখান থেকে দই-মিস্টি নিতে পারেন। আপনার আত্নীয়ের বাসায় বা হোটেলে ইহা খেয়ে তৃপ্তির ঢেকর ছাড়াতে সহায়তা করবে।হোটেলে খাবারের মধ্যেই যাত্রাবিরতির সময় শেষের শব্দ মাইকে আপনার কানে বাজবে। খাবারে তাড়াহুড়া না করে যথারীতি খাবার সেরে বাসে উঠার চেষ্টা করা উচিত।
যাত্রাবিরতির পর সুপারভাইজার তার প্যাসেঞ্জার গুনে ঠিক করে বাস ছাড়ার অনুমতি চালককে দিবে। চালক আবারও গাড়ির গতি দিয়ে নড়েচড়ে বসবে। হেল্পার তার নানাহ সংকেত দিয়ে মনের আনন্দে চালককে গাড়ি নিরাপদে চালাতে নানাহ সতর্কতা জানাবে। মাঝে মধ্যে অবশ্য সুপারভাইজার হেল্পারকে সহায়তা করে থাকে। সিরাজগঞ্জ জেলা পার হয়ে বগুড়ার শুরুতে ফুডভিলে্জ। গাড়ি চলছে আপনি শস্যভরা মাঠ দেখছেন- পাশে বসা প্যাচেঞ্জারের সাথে মতবিনিময় করেছেন, এভাবে বগুড়া শহরে নিকটে গাড়ি পৌছে যাবে।বগুড়া শহরের কাছাকাছি আসলে রাস্তার দুই পাশে ক্যান্টনমেন্ট এর এমপিকে সুস্বজ্জিত অবস্থায় দন্ডায়মান দেখতে পাবেন। সুপারভাইজার বগুড়া শহরের বাহিরে বনানীতে সংশিষ্ট প্যাঞ্চেঞ্জারকে নামার অনুরোধ করবে। বানানী পার হয়ে জাহাঙ্গীরাবাদ হয়ে মহাস্তানগড় পার হয়ে গাড়ি চলতে থাকবে। মহাস্তানগড় প্রত্নতাত্বিক স্থান। একসময় বগুড়ার গোবিন্দগঞ্জ পার হয়ে পলাশবাড়ি অর্থাৎ গাইবান্ধা জেলায় গাড়ি প্রবেশ করবে। পলাশবাড়ি থেকে সোজা গাড়ি চলতে থাকবে রংপুরের উদ্দেশ্যে। পলাশাবাড়ি থেকে হাতের ডানের রাস্তা গাইবান্ধা শহরের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। সমমতল ভূমির মধ্য দিয়ে বহমান রাস্তার উপর দিয়ে গাড়ি চলছে তো চলছেই। পলাশবাড়ি পার হয়েই রংপুর জেলা এলাকায় গাড়ি প্রবেশ করবে।রংপুরের পীরগঞ্জ, শঠিবাড়ি, মিঠাপুকুর পার হয়ে রংপুর শহরের মডার্নে গাড়ি প্রবেশ করবে। যার যার আবাসিক অবস্থান অনুযায়ী একে একে করে সবাই গাড়ি ত্যাগ করবে আর একসময় একেবারে গাড়ি খালি হয়ে যাবে।
রাত্রিযাপনের পর পরেরদিন যাত্রা করতে হবে বৃহত্তর রংপুরের দর্শনীয় স্থানসমূহ পরিদর্শেনের জন্য। প্রথমেই রংপুর শহরের অতি নিকটে তাজহাট জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করা যেতে পারে।রংপুরেরে ঐতিহ্যবাহি কারমাইকেল কলেজের বিশাল ক্যাম্পাসে বেড়াতে পারেন।রংপুরের রাজনীতি সহ নানাহ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সাথে একগাথা শাপলা চত্বর আপনাকে দেখতেই হবে। রংপুরের পীরগঞ্জে ঘুমিয়ে আছে খ্যাতনামা পরমানু বিজ্ঞানী ড. এম.এ. ওয়াজেদ মিয়া তাদের পারিবারিক কবস্থানে।যেখানে আপনি তার কবর জিয়ারত করতে যেতে পারেন। উল্লেখ্য তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ছিলেন। এছাড়া রপুর থেকে দিনাজপুর ও ঠাকুগাওয়ের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করতে পারেন। রংপুর থেকে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবন্ধা ভ্রমন করতে পারেন।