ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শনিবার আসতে পারে আটকে থাকা ভারতীয় পেঁয়াজ

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করতে পারে সীমান্তের ওপারে অপেক্ষমাণ পেঁয়াজবাহী ট্রাক। পাঁচ দিন আটকে থাকার পর অনুমতি সাপেক্ষে ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। ভারতীয় রফতানিকারকরা বাংলাদেশি আমদানিকারকদের এই তথ্য জানিয়েছেন। অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে ভারত সরকার গত সোমবার থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করায় এসব ট্রাক বাংলাদেশে ঢুকতে পারেনি।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে ভারত সরকার যে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছিল, এতে করে আমাদের ২৫০ ট্রাকের মতো পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়কে অবস্থান করছে। অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টির কারণে সেসব ট্রাকের মধ্যে কিছু ট্রাকের পেঁয়াজের ইতোমধ্যে পচন ধরতে শুরু করেছে।

এই পেঁয়াজগুলো যদি তারা রফতানি না করে তাহলে আমরা যারা আমদানিকারক রয়েছি তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো। তবে এর একটি সুসংবাদ ভারতীয় রফতানিকারকরা আমাদের জানিয়েছেন। সেটি হলো, গত রবিবার আমাদের টেন্ডার করা যে পেঁয়াজগুলো রয়েছে সেগুলো তারা রফতানি করবে।’

তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন ধরেই পেঁয়াজগুলো আসবে আসবে বলা হচ্ছে। তবে দিল্লি থেকে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের কোনও নোটিফিকেশন আসেনি। আজ শুক্রবার যে কোনও সময়ে এ সংক্রান্ত নোটিফিকেশনটি আসার কথা রয়েছে বলে ভারতীয় রফতানিকারকরা আমাদের জানিয়েছেন। আজ যদি সেই নোটিফিকেশন চলে আসে তাহলে আগামীকাল শনিবার থেকে ভারতে আটকে থাকা আগের টেন্ডারের পেঁয়াজগুলো তারা রফতানি করবে। এইসব পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে যাবে। তাতে করে বর্তমানে যে পেঁয়াজের দাম রয়েছে তা আরও কমবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একইসঙ্গে আমরা চাপ সৃষ্টি করছি ও ভারতীয় রফতানিকারকরাও চাপ সৃষ্টি করছেন, অন্তত যে ট্রাকগুলো পেঁয়াজ নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই পেঁয়াজগুলো আপাতত দেওয়া হোক। এছাড়াও আমাদের যে ১০ হাজার টনের এলসি দেওয়া ছিল, আমরা সে বিষয়ে চেষ্টা করছি ও রফতানিকারকদের চাপ সৃষ্টি করছি যাতে দ্রুত সেই পেঁয়াজগুলোও যেন বাংলাদেশে রফতানি করা হয়। শুধু ভারতের ওপর মুখাপেক্ষি হয়ে না থাকে আমরা ইতোমধ্যেই পাকিস্তান, মিশর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে পেঁয়াজের এলসি খুলেছি যা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে চলে আসবে। তাতে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।’