ঢাকা, সোমবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সবাই মিলে করোনা মোকাবিলা করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

নওগাঁ: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, কে বড় কে ছোট এইটা কোনো বিষয় না। আমরা সবাই মানুষ।আমরা মানবসেবা করতে চাই। দেশকে বাঁচাতে চাই। দেশকে ভালোবেসে সবাই মিলে করোনা মোকাবিলা করতে হবে।

শুক্রবার (০২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নওগাঁয় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে একথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এক বছর থেকে সরকার সারা দেশে করোনা সচেতনতা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। লাখ লাখ লিফলেট, মাস্ক, স্যানিটাইজার ও ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছে। তারপরও যদি মানুষ সচেতন না হয় আমাদের আরো কঠিন হতে হবে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করতে হবে। শুধু মাঝে মাঝে নয় প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে যেন মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে।

এছাড়াও যখন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময় তাদের সঙ্গে মাস্ক রাখতে হবে। সাজা দেওয়ার পর তাকে আবার মাস্ক পরিয়ে দিতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, এবারের করোনা পরিস্থিতি এতটা ব্যাপক যে আমরা চিন্তাই করতে পারছিনা। যে আক্রান্তের হার ২০০ থেকে ২৫০ নেমে এসেছিল তা দ্রুত বেড়ে ৬-৭ হাজারে চলে এসেছে। এটা খুবই ভয়াবহ বিষয়। ভাইরাস তাদের চরিত্র চেঞ্জ করে ফেলেছে। সেই কারণে আমাদের আরো সতর্ক থাকতে হবে। এবং মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক আপনারা ওয়াজ মাহফিল থেকে দূরে থাকেন। মানুষের সমাগম এড়াতে হবে। এবং প্রতিটা মসজিদে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব মেনে মাস্ক পড়ে নামাজ আদায় করতে হবে। এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে মসজিদে চিঠি দিয়ে নির্দেশনা দিতে হবে।

এসময় মন্ত্রী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, করোনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক চাকা সচল রেখেছেন। এই চাকা সচল রাখতে হবে আমাদেরও। তাই ব্যবসায়ীদের আরো সতর্ক হতে হবে। সব ব্যবসায়ীদের বসে বৈঠক করতে হবে এবং প্রতিটা দোকানে দোকানে তাদের বলতে হবে তারা এবং তাদের কর্মচারীরা যেন মাস্ক পড়ে জিনিস বিক্রি করে এবং যিনি জিনিস কিনতে আসবেন তাকেও মাস্ক পড়ে আসতে হবে, না হলে জিনিস বিক্রি হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এখন খুবই জরুরি।

জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে এসময় সংসদ সদস্য ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক ও ছলিম উদ্দিন তরফদার, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. আবু হানিফসহ জেলার ১১টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বক্তব্য রাখেন।