কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে গত সপ্তাহে শক্তিশালী হামলা চালায় ইসরায়েল। এ হামলার পর কাতার জরুরিভিত্তিতে আরব ও ইসলামিক নেতাদের নিয়ে জরুরি সম্মেলন আয়োজন করে।
তবে সম্মেলনে উপস্থিত আরব-মুসলিম নেতারা বড় বড় হুঁশিয়ারি বাক্য উচ্চারণ করেছেন। বলা যায় দোহা থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ‘কথার মিসাইল’ ছুড়েছেন তারা।
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা আরব দেশগুলো ছিল চুপ
সম্মেলনে বক্তব্যও দেননি সৌদির ক্রাউন প্রিন্স
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান কাতারে এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সম্মেলনে তিনি বক্তব্য দেননি। যা অনেককে অবাক করেছে। কারণ ওই অঞ্চলে সৌদির একটি প্রভাব রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেটির পূর্বসতর্কতার অংশ হিসেবে ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে’ বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন মোহাম্মদ বিন সালমান।
সেই একই দৃশ্য
আরব-মুসলিম নেতাদের সম্মেলনের শেষে সেই পুরোনো চিত্রই দেখা গেছে— শক্তিশালী সতর্কবার্তা, কিন্তু ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কোনো পদক্ষেপ নয়। অনেক পর্যবেক্ষক প্রশ্ন তুলছেন আরবদের মধ্যে যে ঐক্য প্রদর্শন করা সেটি এখন লোক দেখানো বিষয়ে পরিণত হলো কি না। বিশেষ করে যখন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলের বর্বরতা চলছে তখন তাদের পক্ষ থেকে কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।