ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবির জমকালো পিঠা উৎসব

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে সুনামের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশি মহিলা প্রবাসীরা। বাংলাদেশের সৃষ্টি কৃষ্টি ইতিহাস ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে তাদের রয়েছে নানা পরিকল্পনা। যার ধারাবাহিকতায় ‘নতুন ধানে নতুন প্রাণে, চলো মাতি পিঠার গানে’ স্লোগানে জমকালো পিঠা উৎসব করেছে বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবি বিএমএ।

রোববার (১৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত উৎসবে শুরুতে কেক কেটে হেমন্তের পর শীতের ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রদর্শন করেন মহিলা অঙ্গনের সদস্যরা। এসময় তারা বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশের ইমেজ বৃদ্ধি ও দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এ ধরনের উৎসবের মাধ্যমে মহিলাদেরও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা চাই মহিলারা উদ্যোক্তা হয়ে পুরুষের পাশাপাশি দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অবদান রাখুক।

সংগঠনের সভাপতি সাইফুন নাহার জলির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিপ্লোমা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী বাবু আশিষ কুমার বড়ুয়া।

প্রধান অতিথি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবিকে বাংলাদেশ সমিতি ইউএই’র পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিনিসহ অতিথিরা উৎসবের প্রতিযোগিতায় প্রদর্শিত সব পিঠার মান যাচাই করে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

এছাড়াও পুরুষ, মহিলা ও বাচ্চারা বিভিন্ন রকমের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খেলায় অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগী ও প্রবাসীরা মহিলা অঙ্গনের চমৎকার এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

রোববার আবুধাবির কর্নেস হেরিটেজ পার্কে অনুষ্ঠিত বিশেষ এ আয়োজনে বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবির আয়োজকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শারিফুন নাহার জনি, ৠতু নুসরাত, হ্যাপি বিনতে রহমানিয়া, তানজিমা ফেরদৌস, সোনিয়া রহমান, তুহিন রাশেদ, ফরিদা শেফালী, নাদিয়া আফরিন, জায়েদা আকতার এবং সংগঠনের সম্পাদক ও সদস্যরা, সাংবাদিক, প্রকৌশলী, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী এবং লাকী কুপন বিজয়ীদের মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয় বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবির পক্ষ থেকে।

প্রবাসে অবস্থানরত নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দেশাত্মবোধের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন আমিরাতের বিশিষ্টজনেরা।