ঢাকা, শুক্রবার, ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলোর স্বল্পতায় দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ

উইকেটে বেশ জাঁকিয়ে বসেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। দলীয় সংগ্রহও ৫০০-এর দিকে ছুটছিল।কিন্তু দিনের শেষ বেলায় ক্যান্ডির আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেল। বৃষ্টির আভাসও দেখা গেল। কিন্তু তার আগেই আলোর স্বল্পতায় দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।  

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৭৪ রান। ৪৩ রানে অপরাজিত আছেন মুশফিক, ২৫ রানে লিটন দাস। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ৫০ রান।

মুশফিকের সামনে তামিম ইকবালকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ অপেক্ষা করছে। আর মাত্র ১৯ রান করলেই বাংলাদেশের জার্সিতে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক বনে যাবেন মুশি। ৭৩তম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিক টেস্ট ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৪৫৮০ রান করেছেন। অন্যদিকে ৬৩তম ম্যাচ খেলতে নামা তামিমের রান ৪৫৯৮।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই শুরু হবে তৃতীয় দিনের খেলা।

বৃহস্পতিবার পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেও আগের আধিপত্য ধরে রাখে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে নেমে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি হাঁকান মুমিনুল হক। দেশের বাইরে এটাই তার প্রথম সেঞ্চুরি। ২২৪ বলে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছানোর পথে অধিনায়ক মুমিনুল এ সময় ৯টি চার মারেন।

আগের দিন সেঞ্চুরি হাঁকানো নাজমুল হোসেন শান্ত দেড়শ ছাড়িয়ে ছুটছিলেন ডাবলের পথে। কিন্তু ৩৭৮ বল মোকাবিলা করে ১৭টি চার ও একটি ছক্কায় ১৬৩ করে এই বাঁহাতি লাহিরু কুমারার বলে তাকেই ক্যাচ দেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তিনি মুমিনুল হকের সঙ্গে ৫১৭ বলে ২৪২ রান যোগ করেন। টেস্টে তৃতীয় উইকেটে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৮ সালে এই লঙ্কানদের বিপক্ষেই চট্টগ্রামে মুমিনুল ও মুশফিকুর রহিমের ২৩৬ রানের জুটি।

এর আগে টস জিতে প্রথম দিন ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ দারুণ শুরু পায়। দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৩০২ রান করে টাইগাররা। ১২৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন শান্ত। এটি তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ৬৪ রানে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তবে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা তামিম ইকবাল ৯০ রানে আউট হন।