জানা গেছে, আসরের প্রথম আট দিনের প্রতিদিন ৩০ হাজার দর্শককে সমান দুই ভাগ করে আলাদাভাবে দিন ও রাতের সেশনে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে এই সংখ্যাটা ২৫ হাজারে নেমে আসবে। বিগত কয়েক বছরের গড় দর্শকের তুলনায় যা অর্ধেক।
করোনা মহামারির কারণে তিন সপ্তাহ পিছিয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মেলবোর্নে শুরু হবে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম। এবারের আসর চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
করোনাভাইরাসের কারণে অস্ট্রেলিয়ায় অন্য দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে। কঠিন এই পরিস্থিতির মাঝে প্রতিযোগিতাটি আয়োজনের লক্ষ্যে চলতি মাসের শুরুর দিকে ভাড়া করা বিশেষ বিমানে করে এক হাজার ৭০০-এর বেশি খেলোয়াড়, স্টাফ ও টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্টদের দেশটিতে নিয়ে আসা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া পৌঁছানোর পর সবাইকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয়েছে। অধিকাংশ খেলোয়াড়কে দিনে পাঁচ ঘণ্টা করে কোর্টে অনুশীলনের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তবে ভিন্ন তিনটি ফ্লাইটে করোনার রোগী শনাক্ত হওয়ায় সেই ফ্লাইটগুলোয় আসা ৭২ জন খেলোয়াড়কে তাদের হোটেল কক্ষ ছেড়ে বের হওয়ার অনুমতি ছিল না।