ঢাকা, শনিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নে মানবতার মা শেখ হাসিনাঃ

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ আব্দুল হাই এক বিবৃতিতে বলেন – স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ উনপঞ্চাশ বছর অতিবাহিত করছে। সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার সুফল ব্যক্তি হতে ব্যক্তির ভোগ করার একটি পরিসংখ্যান ইতিমধ্যে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশের সকল অগ্রগতিকেই স্বাধীনতার সুফল হিসেবে গন্য করতে হবে। কারন স্বাধীনতা না পেলে কোন ক্ষেত্রেই আমাদের এত অগ্রগতি সম্বভব হতো না। স্বাধীনতার এই মূল্যবান সুফল কোন ক্ষেত্রে কোন কোন কোন মানুষ পেল আর কারা বঞ্চিত রয়ে গেল- তারও একটি চিত্র সমাজে পরিস্কার হয়েছে। কাদের অপকৌশল আর বিশেষ স্বার্থ রক্ষার জন্য, কাদের বিলাশবহুল জীবন যাপনের জন্য, কাদের অর্থ পাচারের কারনে, কাদের দেশের অধিকাংশ সম্পদ নিজের দখলে নেওয়ার জন্য, কাদের দুর্নীতির কারনে, কাদের দেশের বেশিরভাগ ঋণ সুবিধা নিজে ভোগ কার কারনে দেশের কিছু সংখ্যক মানুষ নির্দিষ্ট স্বাধীনতার সুফল থেকে আজও অবধি বঞ্চিত আছে – সে বিষয়ে সমাজ আজ মানুষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। সমাজ স্বাধীনতার এসব সুফল ব্যক্তির পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি পরিস্কার করলেও বাংলাদেশেরে কিছু সংখ্যক মানুষ শোষনের বিভরে তা দেখতে পায় না। কিন্তু সৌভাগ্যবশত আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা, মানবতার মা শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এই মানবদরদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চোখে ও অন্তরে স্বাধীনতার সুফল ব্যক্তি হতে ব্যক্তির পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি পরিস্কার। স্বাধীনতার কোন সুফল আজ দেশের কোন কোন মানুষ পেল আর কোন কোন মানুষ পেল না – তার বিষয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য পরিস্কার ”উন্নয়ন তবে কাউকে বাদ দিয়ে নয়”। এই শ্লোগান তাকে আজ স্বাধীনতার সুফল যারা ভোগ করতে পারছে না- তাদের দোরগোড়ায় নিয়ে গেছে। তার চোখ আজ সেই সব বঞ্চিতদের দিকে তাকিয়ে ব্যথাহুত হয়েছে। তারই ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মানুষের কাছে স্বাধীনতার সুফল পৌছে দিতে ব্যক্তি উদ্যোগে বিশেষ কর্মসূচী ও কৌশল অবলম্বন করেছে। ইতিমধ্যে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি মানুষের দৌরগোড়ায় পৌছানোর জন্য তার কর্মকৌশল 100% বাস্তবায়নের চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যা দেশের সকল মানুষকে অবাক করে দিয়েছে।
একইভাবে দেশের সকল অগ্রগতি ও সকল সেবা থেকে যেন কোন মানুষ বা এলাকা বা গোষ্ঠি বাদ না পরে তার জন্য শেখ হাসিনার প্রখর দৃষ্ঠি সুচারুরূপে কাজ করছে।আমরা যদি, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ স্বাধীনতার সকল সুফলের দিকে তাকাই – তবে দেখা যাবে- শেখ হাসিনা তার দৃষ্টি ঠিকই পৌছে গেছে- কারা এসব সুবিধা এখনও ভোগ করতে পারছে না – তাদরে দৌড়গোড়ায় তার প্রখর দৃষ্টি। যার অসংখ্য উদাহরন রয়েছে- তার মধ্যে – মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য তার বিশেষ উদ্যোগ, অসহায়দের মোবাইলে নগদ অর্থ প্রদান, বিধবা ভাতা সহ অসংখ্য তার উজ্জল কর্মসূচী চলমান।
কিন্তু শেখ হাসিনার এসব কাজের বাধ সেধেছে- সমাজে স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরোধি একটি গোষ্ঠি। যারা অফিসে, আদালতে, ধর্মের নামে, দলের নামে, বিরোধিতার নামে স্বাধীনতার সুফলকে বাস্তবায়নে নানাহ অজুহাত তুলে ক্রমাগতভাবে সামাজ দেওয়াল সৃষ্টি করে যাচ্ছে। তবে নিজের দিকে স্বাধীনতার সুফল এইফাকে টানতে কুন্ঠাবোধ করছে না তারা- ফলে নিজে ঠিকই স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছে অন্যদের বঞ্চিত করে। এখানেই মানবতার মা শেখ হাসিনার আজ প্রধান চ্যালেঞ্চ।তিনি চাচ্ছেন স্বাধীনতার সুফলের নৌকা দেশের প্রতিটি মানুষের ঘাটে ঘাটে পৌছাতে- আর স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরোধিরা চাচ্ছে তা বাধা দিয়ে শুধু নিজেরা ভোগ করতে- ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কঠোর পরিশ্রমকে তার বাধাগ্রস্ত করছে। আজ এদেরকে স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরোধি হিসেবে চিহ্নিত করা গেলেও তাদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য দেশে প্রচলিত কোন সুনির্দিষ্ট আইন নাই। তাই তারা তাদের স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরোধি অগ্নিবীনা নিয়ে স্বদর্পে এগিয়ে যাচ্ছে- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্লোগান ”উন্নয়ন তবে কাউকে বাদ দিয়ে নয়” কে বাস্তবায়নে তারা বাধাগ্রস্থ করছে। সময় এসেছে – এদেরকে চিহ্নিত করে – প্রয়োজনে নতুন করে আইন করে – আইনের মাধ্যমে তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তবেই শেখ হাসিনার স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের কর্মসূচীর নৌকা অতিতাড়াতাড়ি প্রতিটি মানুষের ঘা্টে পৌছে যাবে।
আমি যেহেতু গ্রামীণ ব্যাংকে দীর্ঘ সময় কাজ করেছি- সেক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানবতার মা শেখ হাসিনার স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের কর্মসূচী গ্রামীণ ব্যাংকের আলোকে আলোচনা করতে চাই। যার মাধ্যমে অন্যান্য ক্ষেত্রেও স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নে বিরোধিদের চেহারা ফুটে উঠবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল মানুষের ঘাটে স্বাধীনতার সুফলের নৌকা ভিড়াতে চায়।যার ধারাবাহিকতায় মানবতার মা শেথ হাসিনা সামাজিক সুরক্ষার জন্য তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে অবসরকারিদের জন্য পুনঃপেনশন প্রচলন করেছে। দুর্ভাগ্যবশত: একজন বিদেশপ্রেমি মানুষের নেতৃত্বে বা ইশারায় গ্রামীণ ব্যাংকে ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে একদল গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মী কাজ করে যাচ্ছে।যারা স্বাধীনতার বিপক্ষের মানুষও বটে।গ্রামীণ ব্যাংকের শুরু থেকে স্বাধীনতার বিরোধিদের আধিক্যতা ছিল। বর্তামানে তাদের নতুন কৌশল। কৌশলটি পরিস্কার করতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়টি ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।
দেশে সরকারের আইন অনুসারে সরকারি ও সকল প্রতিষ্ঠানে 50% পেনশন স্যারেন্ডার করে দেশের আইন অনুসারে প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চেলেছ।সেখানে স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নে বিরোধি একটি গোষ্ঠি গ্রামীণ ব্যাংকে এখনও 100% পেনশন স্যারেন্ডার করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর সামাজিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে- দেশের আইনকে অমান্য করছে- স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ করছে। একই ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ ব্যাংকের অগ্রজ ও প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পুন:পেনশন বাস্তবায়নেও বর্নিত স্বাধীনতার সুফল বাস্তবাযনের বিরোধিরা আটকে দিয়ে বসে আছে। যা স্বাধীনতার সুফল সকল মানুষের নিকট পৌছানোর ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচীর সরাসরি বিরুদ্ধে কাজ করছে। এভাবে নানাহ মহলে নানাহ স্থানে স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরোধিরা তাদের মিশন নিয়ে মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের শ্লোগান ”উন্নয়ন তবে কাউকে বাদ দিয়ে নয়” কে বাস্তবায়নে সরাসরি বাধাগ্রস্থ করছে।
গ্রামীণ ব্যাংকের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হিসেবে, স্বাধীনতার পক্ষের একজন কর্মী হিসেবে, মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের শ্লোগান ”উন্নয়ন তবে কাউকে বাদ দিয়ে নয়” কে বাস্তবায়নের একজন কর্মী হিসেবে বলতে চাই- গ্রামীণ ব্যাংকের জেষ্ঠ্য ও প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত 14 হাজার কর্মীর ন্যায্য পাওনা পুন:পেনশন বাস্তবায়ন করে – স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের ধারাকে সম্প্রসারিত করে- গ্রামীণ ব্যাংকে ঘুপটি মেরে থাকা স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের বিরোধিদের 50% এর স্থলে 100% পেনশন স্যারেন্ডার বন্ধ করে – গ্রামীণ ব্যাংককে দেশের আইন অনুসারে পরিচালিত করতে হবে। তবেই মানবতার মা, স্বার্থক প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শেখ হাসিনার শ্লোগান ”উন্নয়ন তবে কাউকে বাদ দিয়ে নয়” কে বাস্তবায়নে ত্বরান্বিত হবে- গ্রামীণ ব্যাংকের জেষ্ঠ্য ও প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত 14 হাজার কর্মীর দৌরগোড়ায় স্বাধীনতার সুফল পৌছে দেয়া সম্ভব হবে- দুর হবে গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরকারিদের অবর্ণনীয় দু:খের জীবন।
স্বাধীনতার সুফল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের জেষ্ঠ্য ও প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত 14 হাজার কর্মীর ন্যায্য পাওনা পুন:পেনশন প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান রাখা হলো।
একইভাবে দেশের সকল মানুষের নিকট স্বাধীনতার সুফল পৌছে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করার অনুরোধ করা হলো-অনুরোধ করা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্লোগান ”উন্নয়ন তবে কাউকে বাদ দিয়ে নয়” কে বাস্তবায়নে অগ্রগতিতে কাজ করার জন্য। ধন্যবাদ-প্রতিবেদন পাঠ করার জন্য।