ঢাকা, বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক- মো. বাবুল হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:  জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের নামে নির্বাহী আদেশে পুনরায় দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জনস্বার্থে বাংলাদেশ ।  একই সঙ্গে অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এতে তিনি বলেন, জনগণের মতামত ও সংসদীয় আলোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে একতরফাভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। ঈদের আগে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষকে মূল্যস্ফীতির যাতাকলে আরও পিষ্ট করবে।

গত ১৯ ও ২০ মে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গণশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, যা জুন মাস থেকে কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অথচ ওই গণশুনানিতে অংশ নেওয়া ভোক্তা প্রতিনিধিরা দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেছিলেন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাবে এবং এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়বে। কৃষি, শিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহল থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক অর্থনীতি নতুন চাপের মুখে পড়বে। তাই  অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।জনগণের মতামত উপেক্ষা করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।