গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, বিশেষজ্ঞরা জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধানে অর্ডারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে মত দিয়েছেন। আবার তারা বলেছেন, চূড়ান্ত বাস্তবায়ন করার জন্য গণভোট লাগবে। গণভোটের মাধ্যমে যদি জনগণ এটাকে রিসিভ করে তাহলে শুধুমাত্র জুলাই জাতীয় সনদ গৃহীত হবে। এখন আমার প্রশ্ন— যদি জনগণ এটাকে রিসিভ না করে জুলাই জাতীয় সনদের বিপক্ষে ভোট দেয়, সেক্ষেত্রে কী হবে?
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো আবারও ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। আজ ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞের সর্বসম্মত চূড়ান্ত অভিমত যেটা, সেটা আমাদের সামনে তারা উত্থাপন করেছেন। তারা বলেছেন যে এটা একটা খসড়া অভিমত।
তিনি বলেন, সরকার যদি সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে এই সনদ কোনোভাবেই বাস্তবায়িত হবে না। কারণ, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি— আমরা যারা আলোচনা করছি, তাদের কোনোভাবেই ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভবপর নয়। হ্যাঁ, আমরা হয়তো আংশিক ঐকমত্যে আসতে পারি, শতভাগ ঐকমত্যে কি আমরা আসতে পারব? এই যে ছয় মাস আলোচনা হলো, কোনো মীমাংসায় আসতে পারিনি। আবারও তৃতীয় দফায় সময় বাড়ানো হয়েছে। এভাবে যদি সময় বাড়তে থাকে এবং নির্বাচন যদি ডিলে হয়, সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ আমাদের ভেতরে বিভাজনের সুযোগে ফিরে আসবে।
তিনি আরও বলেন, এখন সবকিছু সরকারের হাতে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারকে নিতে হবে। সরকার যদি সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে এই গণঅভ্যুত্থান বেহাত হবে, ব্যর্থ হবে। ইতোমধ্যে আপনারা দেখছেন, আমাদের এই বিভাজনের সুযোগে আওয়ামী লীগের মিছিল ডে বাই ডে (দিনের পর দিন) বড় হচ্ছে।