ঢাকা, সোমবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্যারিসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

ঢাকা: প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হয়েছে। এ বছর থেকে প্রথমবারের মতো দিবসটি জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।এ উপলক্ষে দূতাবাস তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।  

রোববার (৭ মার্চ) প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।

৭ মার্চ উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন। এরপর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও বিভিন্ন পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে বিশেষ মোনাজাত এবং বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

চলমান কোভিড-১৯ অতিমারীর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দূতাবাসের সকল সদস্য এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে দূতাবাস অনুষ্ঠানটি একইসঙ্গে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজন করে। ফলে ফ্রান্সে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গুণীজন অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

৭ মার্চ এর সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজনের আজ ছিল দ্বিতীয় দিন। দূতাবাস ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা হতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত  অনুষ্ঠানটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুবিধার্থে দূতাবাসের আয়োজনে সরাসরি সম্প্রচার করে।

এরপর দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত এ অনলাইন অনুষ্ঠানে সংযুক্ত অতিথিবৃন্দের অংশগ্রহণে বিশেষ আলোচনা পর্বে উপস্থিত সকলেই তাঁদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ও ঐন্দ্রজালিক এই ভাষণের সার্বজনীন আবেদনের বিষয় তুলে ধরেন। তাঁরা ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে দূতাবাসের তিন দিন ব্যাপী আয়োজনের ও বিশেষ প্রকাশনার জন্য রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানান এবং আমাদের জাতীয় জীবনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন ।

রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন,  বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সমগ্র বাঙ্গালি জাতিকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল ও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা সারা পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।