ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ তিন বলে হ্যাটট্রিক ছক্কায় অবিশ্বাস্য জয় সিন্ধের

শেষ তিন বলে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। কিন্তু দানিশ আজিজ ভেবে রেখেছিল ভিন্ন কিছু। আর তাই কেবল ১৫ নয়, শেষ তিন বলে তিন ছক্কায় তুললেন ১৮ রান। আর তাতে নিশ্চিত হারা ম্যাচ অবিশ্বাস্য ভাবে খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিপক্ষে ২ উইকেটের জয় তুলে নিলো সিন্ধ।

পাকিস্তানের ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে ২৩তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং সিন্ধ। টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৮ রান তুলে খাইবার শিবির। ১৩৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভয়ানক ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সিন্ধ।প্রথম ওভারে উইকেট হারানো সিন্ধ নিজেদের ইনিংসের অষ্টম ওভারের সময় ম্যাচ থেকে রীতিমতো ছিটকে পড়ে। খাইবার পাখতুনখাওয়ার বোলারদের তোপে ৮ ওভার শেষে সিন্ধের স্কোর ছিল ৩৪ রানে ৭ উইকেট। ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়া সিন্ধকে খেলায় ফেরান দানিশ আজিজ এবং আনোয়ার আলী।

এই দুই ব্যাটসম্যান অষ্টম উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়েন। এরপর ৩৩ রান করে আনোয়ার আলী ফিরে গেলে আবারও ব্যাকফুটে চলে যায় সিন্ধ। দশে নামা হাসনাইন সঙ্গ দিলেও একাই লড়াই করতে থাকেন দানিশ। ম্যাচের শেষ ওভার পর্যন্ত জয় থেকে দূরেই ছিল সিন্ধ। শেষ ওভারে জিততে তাদের লাগতো ১৯ রান।

ইফতিখার আহমেদের সেই ওভার থেকে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান দানিশ তুলে নেন ২০ রান। প্রথম বলে চার হাঁকান তিনি। পরের দুই বলে পারেননি রান নিতে। তাতেই সমীকরণ হয়ে ওঠে কঠিন। শেষ তিন বলে প্রয়োজন ১৫ রান। তবে সেখান থেকে শুরু দানিশের বীরত্বের শেষ অধ্যায়। চতুর্থ বল লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কায় ওড়ান তিনি। পরের বলটি ফুল টস পেয়ে বাউন্ডারি মারেন ওয়াইড লং অফ দিয়ে। আর শেষ বলে লো ফুল টস বোলারের মাথার ওপর দিয়ে উড়িয়ে উল্লাসে ভাসেন দানিশ।

নিশ্চিত হারা ম্যাচে ৪৭ বলে অপরাজিত ৭২ রান করে খাইবার শিবির থেকে জয় ছিনিয়ে নেনে ২৪ বছর বয়সী দানিশ। ৮ চার এবং ৪ ছক্কায় করা ৭২ রানেই দানিশকে জয়ের পাশাপাশি এনে দেয় ম্যাচসেরার পুরস্কারও।