সকাল ১১ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে সরিষামুড়ি ইউনিয়নের সন্ত্রাসী ইউসুফ আলী শরীফ ও তার সন্তানসহ দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতারে দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি বক্তব্যে সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবুল হাসেম খান বলেন, বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন জোমাদ্দারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুষ্কৃতকারীরা। তিনি বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে মুত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন জোমাদ্দার গত ২০শে নভেম্বর ২০২০ইং তারিখ মরটসাইলেকযোগে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন । পথে একদল দুষ্কৃতকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে। শিপনের দুই পা এক হাত কেটে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম করে। বিগত ইউপি নির্বাচনের প্রতিপক্ষ ইউসুফ শরীফ ও তার তিন ছেলেসহ সাঙ্গপাঙ্গ মিলে শিপন কে হত্যার উদ্যোশে কুপিয়ে চলে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরগুনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সন্ত্রাসী ইউসুফ আলী শরীফ বিগত ২০১৫ সালের পূর্বে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি তার আমলে কোন উন্নয়ন না করে ত্রাসের ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে মানুষ ও জনগণকে জিম্মিদশায় রেখে ছিলেন। কথায় কথায় তিনি মামলা হামলা করে নিরিহ মানুষকে নির্মম নির্যাতন করতেন এবং তাকে চাঁদা না দিলে নেমে আসতো পরিবারের উপর নির্যাতন। ২০১৫ সালের নির্বাচনে জেলা যুব লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা যুব লীগের আইকন ইমাম হাসান শিপন জোমাদ্দারকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলীয় প্রার্থী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত নৌকা মার্কা নিয়ে বিপুর ভোটে এই সন্ত্রাসী খুনী ইউসুফ আলী শরীফকে পরাজিত করেন এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে মানুষের হৃদয়ের ভালবাসা কুড়িয়ে নেন। পরিসমাপ্তি হয় ডাকাত-খুনী, চোর/নস্ত্রাসী গড ফাদার ইউসুফ আলী শরীফর দূর্গ। পরিশেষে ইউসুফ আলী শরীফ ও তার সন্তানসহ দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানাচ্ছি। মানববন্ধে বক্তব্য রাখেন মোঃ গোলাম কিবরিয়া শামীম, উপকমিটি মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবলীগ, মোঃ রাইসুল ইসলাম রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা আওয়ামী লীগ,মো: মোফাজ্জল হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি,মোঃ মনিরুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবলীগ, মোঃ ইদ্রিসুল আলম, সভাপতি, শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি সমাজ কল্যাণ পাঠাগার, মোঃ জালাল আহমেদ মৃর্ধা, সাধারণ সদস্য এফবিসিসিআই ও সদস্য বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটি,মোঃ সোবাহান, সাবেক উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান, মোঃ মাইনুদ্দীন পনু,সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি প্রমুখ ।