একাধারে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শি নেতৃত্বে বাংলাদেশের অগ্রগতিতে অবদান আজ দৃশ্যমান। সংগত কারনেই বাংলাদেশের এই দৃশ্যমান অগ্রগতির বিষয়গুলি দেশ ও আন্তজার্তিক পর্যায়েও দৃস্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হয়েছে। এর বিস্তারিত বিবরন দেশ ও আন্তজার্তিক পর্যায়ের নানাহ মহলে বর্নিত রয়েছে।তারপরও দুই চারটি অগ্রগতির কথা বলতে চাই।এই সময়ে, করোনা মহামারিতে দেশের মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করা, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা, করোনা ভেক্সিন আমদানি করা এবং ভেক্সিন প্রয়োগের সফলতার পুরো কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। করোনার মহামারিতে দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় সরাসরি রাস্ট্রপ্রধানের নিকট থেকে খাদ্য পৌছানো একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। শুধু খাদ্য নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব চিন্তায় দরিদ্র মানুষের মোবাইলে সরাসারি আর্থিক সুবিধা পৌছানো হয়েছে। যা দেশ ও পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। করোনা মহামারিতে দেশের মেগা প্রকল্প – পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড রেলওয়ে সহ বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিশ্বে অলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দেশে খাদ্য স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জন বাংলার মানুষকে দিয়েছে নিশ্চিন্তে ঘুমের দাওয়াই। সারা দেশের রাস্তা-ঘাটের প্রভূত উন্নয়ন আজ দেশের অর্থনীতিকে মহা গতি দিতে সক্ষম হয়েছে।সামজিক সুরক্ষার জন্য অবসরকারিদের জন্য পুন:পেনশন সহ নানাহ পদক্ষেপ সমাজকে রেখেছে সুশৃংখল। এককথায় এহেন কর্মসূচী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই এক যুগের শাসনে বাস্তবায়ন করে নাই যা সমাজের উন্নয়নে সামান্য ঘাটতিতে ফেলেছে।এর পুরস্কার দেশের মানুষ যেমন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে- একযুগ ধরে দেশ শাসনের সুযোগ করে দিয়েছে-একইভাবে আন্তর্জাতিকভাবে তার এসময়ের নানাহ বিখ্যাত বিখ্যাত পুরস্কার প্রাপ্তিও তার প্রমান দেয়।
তবে বাংলাদেশের জন্ম লগ্ন থেকেই একটি মহল দেশের স্বাধীনতা যেমন চায়নি, দেশের অগ্রতিতে তাদের যেমন বিশ্বাস নেই তেমনি- তাদের নিজেদের অগ্রগতি ছাড়া দেশের অন্য মানুষের অগ্রগতিতে তাদের পেটের ভাত হজম হয় না। স্বাধীনতার 50 বছর পরও তাদের সেই হিংসার প্রথিত মতাদর্শ তারা ঝেড়ে ফেলতে যেমন পারে নাই – তেমনি দেশের সকল অগ্রগতিতে তাদের কল্প কাহিনী রচনা করতে তাদের সময় লাগে না। তারা সব সময়ই দেশের অগ্রগতিকে যে কোন একটি কাল্পনিক পথে বর্ননা করে মুছে দিতে এখনও ব্যস্ত। তারা গরুর রচনা লিখতে গিয়ে নদীর রচনা লিখেতে যেমন পরদর্শি- একইভাবে দেশের অগ্রগতিকে তাদের কুটকৌশলের সাথে মিলিয়ে রচনা লিখে দেশের অগ্রগতিকে ধুলায় মিশে দিতে ওস্তাদ। যার জন্য তারা নানাহ সময়ে ভিন্ন ভিন্ন অপকৌশল অবলম্বন করে। তাদের এসব অপকৌশল বাঙালি জাতির ইতিহাসে লেখা আছে। তার মধ্যে অন্যতম- স্বাধীনতার বিরোধিদের মন্ত্রী বানানো, 21 শে আগষ্টের বোমা হামলা, আগুন সন্ত্রাস সহ বিভিন্ন বিষয়।
আমাদের জানামতে বাংলাদেশ ছাড়া প্রথিবীর কোন দেশেই স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতা বিরোধিরা একজোট হয়ে দেশের অগ্রগতিতে বাধ সেধেছে। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের মুষ্টিমেয় কয়েকজন মানুষ তা করছে- আজও তাদের ধারাবাহিকতা কিছু মানুষ বহন করছে। এরইফলে দেশে বিদেশে তারা বাংলাদেশকে নিয়ে নানাহ সময়ে ভিন্ন ভিন্ন অপকৌশল করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে।
এসবের ধারাবাহিকতায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিদেশে জড় হয়ে একমত হয়ে বিদেশে বসবাস করেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি মহাষড়যন্ত্রের কল্প কাহিনি রচনা করেছে। এই রচিত কল্প কাহিনি অর্থের বিনিময়ে পৃথিবীর একটি বিতর্কিত গনমাধ্যম আল-জাজিরায় প্রকাশ করেছে। যেখানে আমাদের বাংলাদেশের একমাত্র নিরন্তর প্রহরি, দেশের অগ্রগতির ধারক বাহক, দেশের 99% মানুষের পছন্দের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে একেবারে নিছক কিছু মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া, ভিত্তিহিন, তথ্য প্রমান বিহিন বিষয়ের কাল্পনিক ঘটনার আবতারনা করেছে। যাতে আমরা দেশবাসি শুধু ব্যথিত নেই- এসব কল্পকাহিনির প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের দেশের অগ্রগতিতে আমাদের সামনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাড়া আর কাউকে দৃশ্যমান পাই না। তাই তার সম্পর্কে কোন মিথ্যা তথ্যও আমাদের দৃষ্টিগোচর বা বিশ্বাস হয় না।আল-জাজিরায় উপস্থাপিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে মিথ্যা বিষয়গুলিকে যেমন আমরা ঘৃনা করি তেমনি এর কালাকৌশুলিদেরও আমার ঘৃনা করি। যাদেরকে এখনই আইনের আওতায় এনে বিচার করে চরম শাস্তির মুখোমুখিতে দাড় করাতে হবে।