ঢাকা, রবিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

টাইলস্ স্যানিটারি ব্যবসায়ীদের উপর চাপিয়ে দেয়া অসম ভ্যাট নামক কালো আইনের সময় উপযোগী সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

টাইলস্ স্যানিটারি ব্যবসায়ীদের উপর চাপিয়ে দেয়া অসম ভ্যাট নামক কালো আইনের সময় উপযোগী সংস্কারের দাবিতে (আজ ১৭ জানুয়ারি ) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে সার্টার বন্ধ করে হাতে হাত মিলিয়ে এক শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি হাতিরপুল নাছির ট্রেড সেন্টার (সময় টেলিভিশনের সামনে) পালন করা হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ভ্যাট আগ্রাসন প্রতিরোধ ফোরাম এর আহ্বায়ক এম ইউ গোলাম রসুল এসময় ফোরামের সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেনসহ ফোরামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
ফোরামের আহ্বায়ক গোলাম রসুল বেলাল বলেন, বাংলাদেশ কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের অবিবেচনা প্রসূত হস্তক্ষেপ, বিবেকহীন সিদ্ধান্ত এবং চরম দাম্ভিক আচারণের প্রতিবাদ জানাতে আজ এই প্রতিবাদ শুধুমাত্র হাতিরপুর, বাংলামটরেই সীমাবন্ধ নেই, সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপী ভ্যাট বিভাগের এই আগ্রাসনের প্রতিবাদে মুখর ব্যবসায়ী সমাজ। তিনি বলেন বিগত কয়েক বছর বাংলাদেশ কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের প্রিভেন্টিভ টিম কর্তৃক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক হামলা, ব্যবসা সংক্রান্ত বই-খাতা জব্দ, চলমান প্রতিষ্ঠান থেকে গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি কাস্টমস হেড কোয়ার্টারে নিয়ে ব্যবসায়ীর নামে বিরাট অংকের দাবী নামা ইস্যু করে মামলা ইত্যাদি হয়রানী করা হইতেছে। আমরা এই ধরনের পদক্ষেপের নিন্দা জানাই, এর প্রতিকার চেয়ে বিগত বছর গুলোতে বহুবার ভ্যাট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোন ফল পাইনি। যার ফলশ্রুতিতে আজকের এই মানববন্ধন। মানববন্ধনে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে পথে নেমেছি। আমাদের সুনির্দিষ্ট ৭ টি দাবী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করছি।
দফাসমূহ: ১। উৎপাদন পর্যায়ে সকল প্রকার ভ্যাট, সমন্বয় চাই। ২। আমদানী পর্যায়ে সকল প্রকার ভ্যাট সমন্বয় চাই। ৩। খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে প্যাকেজ ভ্যাট আইন চাই। ৪। সকল প্রকার জটিল ভ্যাট আইনের অবসান চাই। ৫। হয়রানী মুক্ত ভ্যাট আইন চাই। ৬। ব্যবসায়ের ধরণ অনুযায়ী ভ্যাট হার নির্ধারণ চাইা। ৭। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগ্রাসন/অভিযান বন্ধসহ জব্দ কৃত নথী পত্র ফেরৎ চাই।