ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ভাস্কর্য হারাম কোরানে কোথায় আছে ……..ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেন, ধর্ম নিয়ে কাউকে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধুই মানে পতাকা। যারাই পতাকা নিয়ে ষড়যন্ত্র করে তাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে। কেউ ইসলামে লেবাস পড়ে কাউকে ধর্মব্যবসা করতে দেওয়া যাবে না। কোরআনে কোথায় আছে ভাস্কর্য হারাম। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করছি। একাজে যারাই বাধা দিবে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ই জানুয়ারি ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা বাঘা যতিনের ভাস্কর্য ভাঙচুর ও অবমাননার প্রতিবাদে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশের ভাস্কর্যের ছবি নিয়ে আলোকচিত্র মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৯ জানুয়ারি ২০২১ শনিবার বিকাল ৩টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আলোকচিত্র শিল্পী ফজিত শেখ বাবুর আয়োজনে ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ কানাডার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল। উদ্বোধন করবেন বঙ্গদ্বীপ মোসতাক আহমেদ ভাসানী, চেয়ারম্যান, ন্যাপ ভাসানী, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন তাকসীরকারক আল্লামা মুহিউদ্দীন খান ফারুকী, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ তাঁতী লীগের কার্যকরী সভাপতি সাধনা দাসগুপ্তা, স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, এনডিপির মহাসচিব মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, ডা. সুভ্রত ঘোষ, আনন্দ কুমার সেন, বাবু স্বপন কুমার সাহা, এইচ এম মেহেদী হাসান, হানিফ খান, আলী আহমদ নান্টু, ফৌজিয়া হাসান লিপি, তুহিন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ মুশফিকুর রহমান মিন্টু, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহা. রোকন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন আলোকচিত্র শিল্পী ফজিত শেখ বাবু।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, মুজিববর্ষের চলাকালীন সময় বঙ্গবন্ধু ও বাঘা যতিনের ভাস্কর্য যারা ভাংচুর করেছে তারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তারা পেয়ারী পাকিস্তানের পেআত্মা, এরাই ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। স্বাধীনতার এতবছর পর যখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করছি এবং বিজয়ের মাসেই তারাআবার নতুন করে জেগে উঠেছে। এদেরকে দাবিয়ে রাখতে না পারলে আরো ভয়ংকর কিছু করতে পারে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই দোসরদেরকে প্রতিহত করতে হবে।