ঢাকা, সোমবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শীতে কোন পানিতে গোসল করা উচিত?

বিশেষ পদ্ধতিতে শরীর ধোয়া-মোছার নাম গোসল। ধমীয় রীতিতেও গোসলের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পবিত্রতার পাশাপাশি গোসল করা স্বাস্থ্যকর এবং আরামদায়ক। শীত তো জাঁকিয়ে বসেছে। গরম কাপড় ছাড়া এখন চলেই না। এ সময় গোসল নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান অনেকে। প্রতিদেনের গোসল কেউ কেই সপ্তাহে দু একবারও করেন। অনেকে ঠান্ডার পানির ভয়ে গরম পানিতেও চলে যান।

তবে গরম পানিতে গোসল করা না করার উপকারীতা সম্পর্কে জানিনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরম পানি অথবা ঠান্ডা পানিতে গোসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিক।

১. গরম পানিকে গোসল করা কিন্তু শরীরের পক্ষে মোটেও ভালো না। ত্বকের ফলিকগুলোকে নষ্ট করে দেয়। গোসলের সময় গরম পানি মাথায় দিলে চুলের ক্ষতি হয়। মস্তিষ্কেও বাড়ে চাপ।

২, অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করলে মুখে ব্রণ উঠতে পারে । অ্যাসিডিটির সমস্যাতেও চিকিৎসকরা পুরোপুরি গরম পানিতে গোসল করতে নিষেধ করেন। এ ছাড়া মানসিক বিষণ্নতাতেও গরম পানিতে গোসল নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৩. যাদের হার্টেল সমস্যা রয়েছে, গরম পানির ব্যবহার, তাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের ওপর প্রভাব ফেলে।

৪. অতিরিক্ত ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে টনসিল, সর্দি, কাশিসহ বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিকস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাল বাড়িয়ে দেয় এই অভ্যাস।

৫. অতিরিক্ত ঠান্ডা পানিতে গোসল শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। এতে দেহের সূক্ষ্ম টিস্যুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নার্ভের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের বাতের ব্যথার প্রবণতা থাকে তাদের ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানিতে গোসল একেবারেই নয়।

শীতকালে খুব গরম বা ঠান্ডা পানিতে গোসল কোনো না কোনা শারীরিক সমস্যা তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে হালকা কুসুম গরম পানি গোসলের জন্য ভালো। তবে গরম না করেই স্বাভাবিক উষ্ণতার পানি শরীরে জন্য ভালো।