ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘এত দ্রুত পদ্মা সেতুর স্প্যান বসানো শেষ হবে, ভাবতেও পারিনি’

বাংলাদেশিদের আবেগ-অনুভূতির নাম পদ্মা সেতু। স্বপ্নের সেই সেতু এখন পুরোপুরি দৃশ্যমান। পাঁচ বছরের চেষ্টায় স্বপ্ন হলো বাস্তব। তাই পদ্মা নদীর দুই পাড়ের লোকজনসহ সারা দেশের মানুষ খুশির জোয়ারে ভাসছেন।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ। প্রথম স্প্যান বসানো হয়েছিল ২০১৫ সালে। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর বসানো হয়েছে সর্বশেষ (৪১তম স্প‌্যান)। দৃশ্যমান হয়েছে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার লম্বা দেশের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে ব‌্যয়বহুল সেতু।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পদ্মা সেতুর ৪১তম স্প্যান বসানো হয়। এর আগে বুধবার বিকেলে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে স্প্যানটিকে ভাসমান ক্রেনে করে নির্ধারিত পিলারের কাছে নিয়ে রাখা হয়েছিল।

মূল সেতু নির্মাণে কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি)। নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের সেতু হলো এই পদ্মা সেতু। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও স্বপ্নের সেতু এটি। তিনি যে সাহস নিয়ে এ সেতুর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, সেটা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। দেশের নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সেটা প্রমাণ হয়েছে।’