করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা হবে না। লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ভর্তির এ প্রক্রিয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
কোনো কোনো অভিভাবক বলছেন, লটারি পদ্ধতিতে তুলনামূলক কম মেধাবী শিক্ষার্থীরাও ভালো স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাবে। রেজাল্টের ভিত্তিতে বা ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে হলে সেটা সম্ভব হতো না।
অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, লটারির ফলে তুলনামূলক পিছিয়ে পড়া স্কুলগুলো ভালো শিক্ষার্থী পাবে। এর ফলে বৈষম্য দূর হবে এবং স্কুলগুলোর মান ভালো হবে।
জানা গেছে, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ, তারা প্রতিষ্ঠানের মানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে ভালো শিক্ষার্থীদের বাছাই করতে চায়। সেটির পক্ষে সমর্থন আছে কিছু অভিভাবকেরও।
রাহিমা সুলতানা নামে মতিঝিল এলাকার এক অভিভাবক বলেন, ‘ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়। মেধা-দক্ষতা-সৃজনশীলতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা দরকার। ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের ফলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেমন যোগ্য শিক্ষার্থী পায়, ঠিক তেমনই শিক্ষার্থীরাও যোগ্য প্রতিষ্ঠান পায়। ভালো শিক্ষার্থীদের জন্য লটারি ব্যবস্থা হতাশাজনক।’