সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও জনস্বার্থ রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বুলু বলেন- তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহনসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। করোনাকালে কয়েক কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমতাবস্থায় তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দেশে পরিবহন ভাড়া বাড়বে, ট্রাক ভাড়া বাড়বে, জিনিসপত্রের দাম বাড়বে, বাড়বে মুদ্রাস্ফীতি। এক লাফে প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছির বাড়ানো ফলে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে। ফলে আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক ছোট ছোট শিল্প-কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। এতে একদিকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে জাতীয় অর্থনীতি ওপর চাপ আরও বাড়বে। অন্যদিকে বেকারত্ব সমস্যা আরও প্রকট হবে। বিশ্ববাজারে বর্তমানে তেলের বাজার নিম্নমুখী।
এই সময়ে বাজার পর্যবেক্ষণ না করে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও গণবিরোধী। অনতিবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে, পূর্বের মূল্য বহাল রাখার দাবি জানান তিনি।জীবনযাত্রার ব্যয় স্বাভাবিক করতে জ্বালানি তেলের দাম প্রত্যাহার অত্যন্ত জরুরি।