ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মরিচ খোলা তৈরির রেসিপি

কলাপাতায় বিভিন্ন ধরনের মাছ, একটু বেশি ঝাল আর বিভিন্ন পদের মসলা দিয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু খাবার। গরম ভাতের সঙ্গে মরিচখোলা হলে জমে বেশ। নোয়াখালি অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রান্না হলেও এটি অনেক জায়গায় রান্নার প্রচলন আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সুস্বাদু মরিচখোলা তৈরির রেসিপি-

তৈরি করতে যা লাগবে

পাঁচমিশালি মাছ- আধা কেজি

পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ

পেঁয়াজ বাটা- ৩ টেবিল চামচ

রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ

শুকনো মরিচ বাটা- ৩ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়া- ১ চা চামচ

কাঁচা মরিচ কুচি- ২টি

লবণ- স্বাদমতো

ধনিয়া পাতা কুচি- ৩ টেবিল চামচ

সরিষার তেল- ১/৪ কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন

পুঁটি, চিংড়ি, কাচকিসহ পাঁচমিশালি মাছ নিন। বড় কোনো মাছ নিলে তা ছোট ছোট টুকরা করে নেবেন। মাছগুলো ভালো করে ধুয়ে প্যানে নিন। পেঁয়াজ কুচি, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, শুকনা মরিচ বাটা, হলুদ গুঁড়া, কাঁচা মরিচের টুকরা, স্বাদমতো লবণ, সরিষার তেল ও ধনিয়া পাতা কুচি দিয়ে দিন। হাত দিয়ে ভালো করে মেখে নিন সবগুলো উপকরণ।

একটি কচি কলাপাতা পরিষ্কার করে মুছে মাঝের মোটা অংশে ছুরি দিয়ে দাগ কেটে নিন। এতে মাছের মিশ্রণ মোড়ানোর সময় ছিঁড়ে যাবে না পাতা। কলাপাতার মাঝে পাতলা করে মসলামাখা মাছ বিছিয়ে চারপাশ থেকে পাতা মুড়ে ঢেকে দিন। তেল বা মসলা যেন বের হতে না পারে সেজন্য আরও একটি পাতা দিতে মুড়িয়ে টুথপিক ও সুতা দিয়ে আটকে নিন ভালো করে।

চুলায় বসানোর দশ মিনিট আগে মাঝারি আঁচে তাওয়া গরম করে রাখুন। তাওয়ার উপর কলাপাতা দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে আধা ঘণ্টার জন্য রাখুন এভাবেই। এরপর উল্টে দিয়ে আরও আধা ঘণ্টা রাখুন একই আঁচে। এক ঘণ্টা পর নামিয়ে পাতা কেটে পরিবেশন করুন গরম ভাতের সঙ্গে।