ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে চুক্তি হবে

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে শুল্ক বিষয়ে চুক্তি হবে। এ লক্ষ্যে সোমবার (১৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন কো-অপারেশন অ্যান্ড মিউচুয়াল অ্যাসিট্যান্স ইন কাস্টমস ম্যাটারস’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা বৈঠকে চুক্তির বিষয়টি উপস্থাপনা করা হয়েছে। এ চুক্তির মূল বিষয় হচ্ছে এতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। দু’দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সুসংহত হবে। পণ্যের অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাচালান বন্ধে তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দু’দেশের অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য ও অন্যান্য স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এটা কাজ হবে। গোয়েন্দা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দু’দেশ পরস্পরকে সহায়তা করতে পারবে। শুল্ক বিভাগের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য জাপানের সহযোগিতা পাওয়া যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান ,বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে শুল্ক সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান, শুল্ক ফাঁকি রোধ, বাণিজ্য সহজীকরণ ও দু’দেশের সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে এ চুক্তি করা হবে ।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ মাসের শেষের দিকে জাপান যাবেন । তখন হয়তো এ চুক্তিটা স্বাক্ষরিত হবে।

কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক, বিশেষ এবং অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীরা যেন অন-অ্যারাইভাল ভিসা পান সে বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পাসপোর্টধারীরা বিনা পাসপোর্টে দু’দেশ ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। এতে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনীতি, বাণিজ্য সহায়তা সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেইরি উন্নয়ন বোর্ড আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন আরো বলেন -মন্ত্রিসভা বৈঠকে বাংলাদেশ ডেইরি উন্নয়ন বোর্ড আইন ‘২০২২’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গরু ও ছাগলের দুধ ব্যবস্থাপনার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ আইনটি নিয়ে এসেছে। মিল্কভিটা রয়েছে সেটি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেটি সুনির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় । এ আইনটি পুরো বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য। এ আইনের অধীনে একটি বোর্ড থাকবে। সেই বোর্ডে চেয়ারম্যান ও তার সঙ্গে সদস্যরা থাকবেন। ওনারা দুগ্ধজাত খাবারের মান ও গুণাগুণের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

বিএসটিআই বিভিন্ন পণ্যের মানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। কিন্তু দুগ্ধজাত খাবারের মানের বিষয়টি নিশ্চিত করবে এ প্রতিষ্ঠান (ডেইরি উন্নয়ন বোর্ড)। এটি বিএসটিআই’র অধীনে যাবে না। আইন কার্যকর করা হলে খামার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের  উৎপাদনবৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য হিসেবে সরবরাহ নিশ্চিত করার ও সুযোগ থাকবে।