ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ক্ষেপেছেন -মাশরাফী

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের হার ছাপিয়েও আলোচনায় ছিল বিরাট কোহলির ফেইক ফিল্ডিংয়ের ঘটনাটি। সে ঘটনাটি আম্পায়ারের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল রীতিমতো। পাকিস্তান ম্যাচেও আম্পায়ারের এক সিদ্ধান্ত গেল বাংলাদেশের বিপক্ষে।

সাকিব আল হাসানের আউটে তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তটি রীতিমতো আলোচনার জন্মই দিয়েছে আজ। এ নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বিশ্লেষক আকাশ চোপড়া নিজের বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। এবার বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও প্রতিক্রিয়া জানালেন। সাকিবের বিপক্ষে এই সিদ্ধান্ত যাওয়ায় রীতিমতো রেগে আগুনই হয়ে গেছেন তিনি।

ঘটনাটা ঘটেছে ইনিংসের ১১তম ওভারে। সৌম্য সরকারের বিদায়ের পর মাঠে এসে প্রথম বলেই সাকিব খানিকটা বেরিয়ে এসে খেলতে চেয়েছিলেন শাদাবকে। তবে তার গুগলিটা গিয়ে আঘাত হানে বাংলাদেশ অধিনায়কের প্যাডে। খানিকটা অপেক্ষা করে আঙুল তুলে দেন মাঠের আম্পায়ার।

সাকিব সঙ্গে সঙ্গেই রিভিউ নিয়েছিলেন। বলটা সাকিবের বুটে লেগেছিল। তবে আল্ট্রা এজে দেখাচ্ছিল একটা স্পাইক।

তবে টিভি আম্পায়ারের কথা ছিল, সেই স্পাইকটা ব্যাটের মাটি ছোঁয়ার স্পাইক। যদিও ইমপ্যাক্ট ছিল তিন মিটারের বাইরে। সব মিলিয়ে সাকিবকে খানিকটা হতাশই দেখাচ্ছিল।

ফেরার আগে আম্পায়ারের সঙ্গে আবারও কথা বলেন তিনি। তবে কাজ হয়নি শেষমেশ। সাকিবকে ফিরতে হয় শূন্য রানেই।

সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে ইতোমধ্যেই। এতে যোগ দিয়েছেন ভারতের ক্রিকেট বিশ্লেষক আকাশ চোপড়াও। তার মতে, সাকিব আল হাসান নট আউটই ছিলেন তখন।

ব্যক্তিগত টুইটারে তিনি লেখেন, ‘সাকিবের ব্যাটটা মোটেও মাটি ছোঁয়নি। ব্যাটের ছায়ার দিকে মনোযোগ দিন। স্পাইক ছিল তখন। বলের ব্যাটে আঘাত করা ছাড়া অন্য কিছুই হতে পারে না। বাংলাদেশ বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হলো।’

বাংলাদেশ অধিনায়ককে এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আউট দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘একেবারে জঘন্য সিদ্ধান্ত। নরকে যাও।’