ঢাকা, রবিবার, ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১৫ হাজার মানুষ পেলো যুবলীগের টেলিমেডিসিন সেবা

ঢাকা: করোনা মহামারির এই সংকটে এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছে যুবলীগের উদ্যোগে গঠিত ‘টেলিমেডিসিন সেবা টিম’।

মঙ্গলবার (৪ মে) যুবলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুবলীগের টেলিমেডিসিন টিম দিবা-রাত্রি নিরলসভাবে কাজ করে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে টেলিফোনের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। অনেক গভীর রাতেও অসহায় অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে যুবলীগের টেলিমেডিসিন টিম।

করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসার পাশাপাশি প্রসূতি মা ও শিশু, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে যুবলীগের টেলিমেডিসিন সার্ভিস টিম।

বাংলাদেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের বাইরে থেকেও প্রবাসী বাঙালিরা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসকদের থেকে পরামর্শ গ্রহণ করছেন।

গত ৫ এপ্রিল সোমবার যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে করোনা মহামারিকালীন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা/স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য শতাধিক চিকিৎসক নিয়ে টেলিমেডিসিন টিম গঠন করা হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিবেদিত প্রাণ প্রতিশ্রুতিশীল চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এই টিম গঠন করা হয়।

জরুরি এই টেলিমেডিসিন সেবা কার্যক্রমের সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. খালেদ শওকত আলী। সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. ফরিদ রায়হান, উপ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল, সহ সম্পাদক ডা. মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া রাফি, কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. আওরঙ্গজেব আরু, কার্যনির্বাহী সদস্য ড. মো. রায়হান সরকার রিজভী।

এ বিষয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, এই দুর্যোগ ও মহামারির সময় যদি আমরা মানুষের পাশে না দাঁড়াতে পারি, আর কখন দাঁড়াবো? এই অনুভূতি বা চেতনাবোধ থেকেই  যুবলীগের চিকিৎসকরা দিন-রাত মানুষকে বিনামূল্যে টেলিমেডিসিন সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন।

যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হােসেন খান নিখিল বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের পরামর্শে আমরা মানুষের পাশে রয়েছি। করোনার কারণে লকডাউনে থাকা অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখতে আমরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ঘরে বসেই যেন তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন, সেজন্য টেলিমেডিসিন সেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।