ঢাকা, সোমবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.মুহাম্মদ ইউনূসকে অবসরের পর বকেয়া উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রদান না করা।

বিধি মোতাবেক গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.মুহাম্মদ ইউনূস একজন সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে গামীণ ব্যাংক থেকে অবসর গ্রহন করেছেন।এছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকও একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। উভয় ক্ষেত্রে ড.মুহাম্মদ ইউনূস অবসরের পর উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রাপ্য। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক আজ পর্যন্ত ড.মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন কানাকড়ি প্রদান করেনি।উল্লেখ্য প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস 2000 সালে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অবসর গ্রহন করেন।

সরকারের বিরুদ্ধে এটা একটি সুদুর প্রসারি অপকৌশলমূলক ষড়যন্ত্র। সরকারকে মূলত: বিব্রত করার জন্য ড.মুহাম্মদ ইউনূসকে অবসরের পর উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রদান করা হচ্ছে না।

শুরু থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে আওয়ামী বিরোধি একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে একটি মহল গড়ে তুলেছে। যার অপধারার ছায়া এখন পর্যন্ত অবারিত। যার ফলে ড.মুহাম্মদ ইউনূস এর মত সুনামধন্য মানুষকে অবসরের পর তার পাওনা উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রদান না করে আওয়ামী সরকারকে প্রশ্নের মুখোমুখি দাড়া করার জন্য আওয়ামী বিরোধি একটি মহল অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গ্রামীণ ব্যাংকে উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন বাবদ বিরাট অংকের টাকা ড.মুহাম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যে পাওনাদার হয়ে গেছে। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংকে বসে থাকা কিছু আওযামী বিরোধি ব্যক্তি তাদের স্বার্থের জন্য উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন ড.মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রদান করছে না। এর মূলে দুইটি প্রধান করন রয়েছে-

1। সারা বিশ্ব যখন জানবে ড.মুহাম্মদ ইউনূস এর মত সুনামধন্য মানুষকে অবসরের পর তার পাওনা উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রদান করা হচ্ছে না। তখন আওয়ামী সরকারের বদনাম হবে।

2। গ্রামীণ ব্যাংকে বর্তমান মুষ্টিমেয় অসাধু কর্মী সরকারি সার্কূলারকে অমান্য করে 50% এর স্থলে 100% পেনশন স্যারেন্ডার করে কোটি টাকা পেনশন নিতে পারবে না।

এর পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকে থেকে অবসরে যাওয়া 14 হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পাওনা উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রদান করছে না। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বড় অংকের বকেয়া টাকা দিতে না পারলে সরকারের বদনাম হবে। সেজন্য গ্রামীণ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সহ 14 হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর উৎসব ভাতা, মেডিকাল ভাতা ও পুন:পেনশন প্রদান না করে বকেয়ার পরিমান দিন দিন বৃদ্ধি করে চলেছে। আর তারা সরকারি নিয়মকে অমান্য করে 50% এর স্থলে 100% পেনশন স্যারেন্ডার করে কোটি কোটি টাকা নিয়ে অবসরে যাওয়ার ফন্দি এটেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টগন এখনই নজর না দিলে গ্রামীণ ব্যাংক যেমন বিরাট অংকের টাকার দেনার ক্ষেত্রে দেউলিয়া হওয়ার পথে হাটছে তেমনি সরকারের কাধে বড় ধরনের একটি অপবাদ চেপে যাবে।