ঢাকা, রবিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন: সচিব

ঢাকা: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা। এজন্য যা যা করা দরকার আমরা সব ব্যবস্থা নিয়েছি।

শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হুমায়ুন কবীর বলেন, আপনারা জানেন যে, রোববার ৩৪টি জেলায় ৫৫টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনিয়ম রোধে প্রতি কেন্দ্রে ৩-৪ জন অস্ত্রধারী পুলিশ থাকবে। অঙ্গীভূত আনসারসহ সব মিলিয়ে প্রতি কেন্দ্রে ১১ থেকে ১৩ জন সদস্য থাকবেন। এর বাইরে আমাদের প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে র‌্যাবের টিম থাকবে, পুলিশের টিম থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার চাহিদার ভিত্তিতে ২৭টি স্থানে র‌্যাব, বিজিবির টিম বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, যে ভোট অনুষ্ঠিত হবে সেটা ফ্রি, ফেয়ার এবং একেবারে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। এটি ক্রেডিবল হবে, এটা আমরা আশা করছি।

নির্বাচন কমিশনের নতুন সচিব আরও বলেন, ল’ অ্যান্ড অর্ডারসহ ভোটের সার্বিক বিষয় নিয়ে আজ আমরা বৈঠক করেছি। ইসির বিশেষ নির্দেশনা যেটি রয়েছে, তা হলো— ল’ অ্যান্ড অর্ডার যেন ঠিক থাকে। জেলা প্রশাসক, এসপি এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে— নির্বাচনটা যেন ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হয়।

অনিয়ম মোকাবিলায় বাড়তি কোনো ব্যবস্থা রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ইসির অবস্থান একটাই; সেটি হলো ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন হওয়া। স্থানীয় সরকার নির্বাচন যখন হয় তখন ডোর টু ডোর একটা প্রিপারেশন থাকে। তখন কোথাও কোথাও দুই-একটি ঘটনা ঘটে। আপনারা জানেন যে, তৃতীয় ধাপে একটি দুটি জায়গায় অনিয়ম হয়েছে, সেটি খুবই সামান্য। যেগুলোর তদন্ত হয়েছে এবং রিপোর্ট এসেছে আমাদের কাছে। সেগুলোর বিষয়ে কমিশন খুবই ওয়াকিবহাল। এ বিষয়ে তদন্ত হয়েছে, পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা কমিশনকে অবহিত করেছি।

তিনি আরও বলেন, রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া আছে, ভোটকেন্দ্রের যে রুলস আছে, সেভাবেই যেন পরিচালিত করে।

গোপন কক্ষ সুরক্ষিত নয় মর্মে অনেক অভিযোগ এসেছে অতীতে, চতুর্থ ধাপের ভোটে ইসির ভূমিকা কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এ বিষয় নিয়ে যা বলতে পারি, একেবারে ডিআইজি থেকে এসপি, ডিসি, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি, যেন এমন কোনো কিছু না ঘটে। কমিশনের টার্গেট হচ্ছে ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল নির্বাচন করা। এজন্য যা যা করতে হবে, সে নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যা যা দরকার আমরা সব ব্যবস্থা নিয়েছি।