রাজধানীর পল্টনস্থ শরীফ কমপ্লেক্সের ষষ্ঠ তলায় বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের জেলা প্রতিনিধিদের প্রতিবেদন জমাদান উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত প্রতিবেদনে জমাদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব মহিউদ্দিন আহমেদ। এসময় তিনি বলেন, বর্তমানে দেশ ডিজিটালাইজেশনের সুবাদে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ মোবাইল ব্যাংকিং খাতে লেনদেন হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বর্তমানে রিটেইলারের সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ আর গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি। এত উন্নয়ন সাধনের পরও মোবাইল ব্যাংকিং খাতে বিপুল পরিমাণ সম্ভাবনা এখনো অব্যবহৃতই রয়ে গেছে। মোবাইল ব্যাংকিংকে আমরা মোবাইল ওয়ালেট হিসেবে এখনো ব্যাবহার করতে সক্ষম হইনি। যদি মোবাইলকে ওয়ালেট হিসেবে ব্যবহার করা যায় তাহলে সরকারের রাজস্ব আদায় হবে বর্তমানের চেয়ে আরো ৫০ গুণ বেশি। লেনদেন বাড়বে কম করে হলেও আরও ৬০ শতাংশ। নগদ টাকা ছাপানোর প্রবাহ কমে যাবে। এর ফলে অর্থ সাশ্রয় হবে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান বেড়ে দাঁড়াবে ১০ হাজারের অধিক। কিন্তু বর্তমানে এই খাতে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য বিরাজ করছে। যা গ্রাহকদেরকে ব্যাপক সমস্যায় পতিত করছে। বিপুল সম্ভাবনাময় এই খাতকে নিয়ন্ত্রণ করার বা গ্রাহকদের সেবা দেয়ার মত সামর্থ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের খুব একটা নেই বললেই চলে। তাই এই খাতে সম্ভাবনা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই সেবার জন্য একটি আলাদা স্বাধীন-সার্বভৌম কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, যশোরের প্রতিনিধি বাবলুর রহমান, ভোলার প্রতিনিধি মোঃ সোহেল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ময়মনসিংহের প্রতিনিধি এবং সম্রাট, ঢাকা মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আহবায়ক সাইফুজ্জামান সেলিম, প্রচার ও প্রকাশনা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানিম রহমান ও কেন্দ্রীয় সদস্য কাজী আমানুল্লাহ মাহফুজ প্রমূখ।