ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রকাশের পর সেই রহিমাকে আর্থিক অনুদান

সংবাদ প্রকাশের পর সেই রহিমা আক্তারকে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে রহিমার হাতে ডা. সাদ্দাম হোসেন এই অনুদান তুলে দেন। একই সঙ্গে আরও কিছু অনুদান প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমটি (ইপিআই) আবু সালেহ মামুন ও রাইজিংবিডির প্রতিবেদক মো. মামুন চৌধুরী।

অনুদান পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রহিমা আক্তার বলেন, ‘সৎপথে বেঁচে থাকার জন্য স্বল্প পুঁজিতে পিঠার দোকান দিয়েছি। এবার আর্থিক অনুদান পাওয়ায় দোকানে আরও বেশি পরিমাণে পিঠা ও ডিম বিক্রি করে করা সম্ভব হবে। এ দুঃসময়ে আর্থিকভাবে সহায়তা পেয়ে আমার অনেক উপকার হলো। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই । তারা আমাকে নিয়ে মানবিক নিউজ করেছে।’

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেন বলেন, সংবাদটি গতকাল দুপুরে পড়েছি। এ নারী সৎপথে চলতে চায়। তাই তাকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু আর্থিক সহায়তা করে অত্যন্ত ভাল লেগেছে। মানুষ চেষ্টা এগিয়ে যায়। আমরা বিশ্বাস এ নারী একদিন ঘুরে দাঁড়াবে। আমি তার মঙ্গল কামনা করছি।’

এমটি (ইপিআই)  আবু সালেহ মামুন বলেন, ‘ডা. সাদ্দাম হোসেন স্যার এ নারীকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু আর্থিক সহায়তা করেছেন। আমার ভাল লেগেছে। তাই আমিও কিছু টাকা দিয়েছি।’

প্রতিবদেক মো. মামুন চৌধুরী বলেন, ‘চেষ্টা থাকলে যে কোনো ছোট কাজ থেকেও বড় হওয়া সম্ভব। রহিমা আক্তার সন্তানদের নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছেন। সৎপথে জীবিকা নির্বাহে তিনি পিঠা বিক্রির পথ বেছে নিয়েছেন। তাকে নিয়ে শুধু প্রতিবেদন নয়, কিছু অনুদানও প্রদান করেছি।’

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর রহিমা আক্তারকে নিয়ে ‘পিঠা দোকানের পুঁজি নেই রহিমার’ শিরোনামে একটি মানবিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পাঠক মহলে সংবাদটি ব‌্যাপক সমাদৃত হয়।