ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৩০ নভেম্বর

ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে করা মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অস্ত্র ও মাদক মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ দুই মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য ৩০ নভেম্বর তারিখ ধার্য করেন।

এরমধ্যে মাদক মামলায় সম্রাটের পাশাপাশি তার সহযোগী ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানও আসামি।

এদিকে মাদক ও অস্ত্র মামলায় চার্জশিট গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় আজ বেলা ১১টার দিকে সম্রাটকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। তাকে হাজির করা উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন সম্রাটের কর্মী-সমর্থকরা। এসময় তারা সম্রাটের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে স্লোগান দেন।

সারা দেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে গেল বছরের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার সঙ্গে থাকা সহযোগী আরমানকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের ঢাকায় এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সম্রাটকে গ্রেফতারের দিনই দুপুর পৌনে ২টার দিকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান চালায়। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে এদিনই তাকে ৬ মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন সারওয়ার আলম। এরপরই সম্রাটকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করেন র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক।

সম্রাটকে গ্রেফতারের ঠিক একমাস পর ৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অস্ত্র মামলায় চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, সম্রাটের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র নিজ হেফাজতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।