ঢাকা, সোমবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সজীব ওয়াজেদ জয়, যিনি ডিজিটাল বাংলদেশের বিনির্মাতা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদর্শী তরূন নেতাঃ

প্রতিবেদক: এইচএসএবি(রা:)লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা এবং
বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আব্দুল হাই

সজীব ওয়াজেদ জয় যার স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া।যার ধারাবাহিকতায় তিল তিল করে জয় বাংলাদেশের সকল স্তরে ডিজিটাল ব্যবস্থা স্থাপনে নিরবে কাজ করে যাচ্ছে।শুধু কাজ করে যাচ্ছে না- দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানের সকল ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রচলন করতে তার মেধা, প্রজ্ঞা বিনিয়োগ করে ক্রমান্বয়ে অগ্রসর হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের ডিজিটাল হাওয়া প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌছতে শুরু করে। 16 কোটি মানুষের হাতে 16 কোটির বেশি মোবাইল ফোন তার প্রকৃষ্ট উদাহরন। দেশের অভ্যন্তরে ও দেশের বাহিরে ব্যক্তি যোগাযোগ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ, শিক্ষার ক্ষেত্রে যোগাযোগ, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্র সহ সকল ক্ষেত্রেই ডিজিটাল যোগাযোগের উন্নয়ন মানুষ ভোগ করে তার কর্ম ও জীবন সচল রেখেছে। বলার ইচ্ছা না থাকলেও বলতে হচ্ছে- আজকের নারী নির্যাতনের ভয়াবহতার তথ্য সংগ্রহ করতেও জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশের সহায়তা নিতে হচ্ছে- এর তদন্ত, বিচার সহ বিচার কার্যকরেও জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবাস গ্রহন করতে হবে।যারা নার নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে নারী নির্যাতনকারিকে বাদি দিয়ে সরকার প্রধান সম্পর্কে নানাহ আপত্তিকর মন্তব্য করছে- তাদেরকেও জয়ের ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে হচ্ছে।তাই ডিজিটালে জয়, বাংলাদেশে জয়- দেশের সকল অগ্রগতিতে জয়।
এরই মধ্যে করোনার ছোবল বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে ঘরে বন্দি করে দিল। প্রতিটি মানুষ তার হাত পা গুটিয়ে ভাবতে শুরু করল – হতাশ হয়ে গেল, অস্থির হয়ে গেল তার জীবন ও জীবিকার জন্য। কিন্তু সজীব ওয়াজে জয়ের দূরদর্শী চিন্তার ফসল ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির সুফল মানুষকে হাতছানি দিয়ে বললো- হে মানুষ ভাবছো কেন? তুমি ঘরের বের হতে পারছো না তাতে কি সমস্যা? তোমার হাতে আছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুদূর প্রসারি চিন্তার ফসল ডিজিটাল বাংলাদেশ- তুমি এটাকে তোমার কাজের সাথে সংযুক্ত কর। হে মানুষ তোমার স্বাস্থ্যের জন্য তোমাকে কোথাও যেতে হবে না- তুমি জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা ব্যবহার করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে অন লাইনে ঔষধ ক্রয় করে ঔষধ সেবন করে সুস্থ্য থাক। তোমার নিত্য প্রয়োজনীয় সকল চাহিদা ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তিতে আগোয়ান হও। মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সরব আওয়াজ শুনতে পেয়ে ঘরে বসেই তা ব্যবহার করতে শুরু করল। মানুষের জীবনের স্থির নৌকার বাদামে ডিজিটালের হাওয়া লাগল। মানুষ ঘরে বসেই তার জীবনকে সচল করে নিল।সজিব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ যেন জাদুর মত প্রতিটি মানুষকে তার পথে অগ্রসর হতে সহায়তা করলো।
কথাটা যত সহজে বলা হলো- কাজটা তত সহজ ছিল না। জয় তার দীর্ঘ সুচিন্তিত পরিকল্পনায় যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে মনোযোগী – তখনই করোনার ছোবল। তাতে জয়ের মনোবল ও কর্মস্পৃহা আরও জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশকে প্রতিটি মানুষকে ব্যবহার করার উপযোগী করে দিল। যার সুবাধে মার্চ 2020 থেকে আজ অক্টোবর 2020 দীর্ঘ 7 মাস মানুষ তার চলাফেরাকে বন্ধ করে ঘরে বন্দি জীবন যাপন করলেও তার জীবন সচল রাখতে ডিজিটাল বাংলদেশের সুবিধা ব্যবহার করে এক নতুন জীবনের সন্ধান করে নিয়েছে। স্বপ্নের মত জীবনের অন্য একধরনের স্বাদ মানুষ ভোগ করছে- যার মূলে রয়েছে সজীব ওয়াজেন জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ। যা না হলে মানুষ ও দেশের কি অবস্থা হতো তা আমি বর্ননা নাই করলাম- পাঠককে অনুমান করে তার বিপরীতে ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা গ্রহনের বিষয়টিকে অনুভব করতে বলছি।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাড়ে সাত কোটি মানুষের দেশকে স্বাধীন করে দিয়েছে- তার দৌহিত্র ডিজিটিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান করে 17 কোটি মানুষকে করোনার মহামারি থেকে রক্ষা করেছে। যার ব্যাখ্যা আমার মত অধমের পক্ষে দেওয়া অসম্ভব। শুধু বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের নিজ নিজ জবীনে ডিজিটালের ব্যবহার করাটাই- তার উজ্জল প্রমান হিসেবে চলমান ও অগ্রসরমান।
এইচএসএবি(রা:)লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আব্দুল হাই মনে করেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদান অধিক গুরুত্বপূর্ণ।সজীব ওয়াজেদ জয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি উপদেষ্টা। সে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে মূল ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রূতিতে বাংলাদেশ 2021 সালের মধ্যে প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের গৃহীত নীতি বাংলাদেশের আইসিটি ব্যবহারে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে- মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বৃদ্ধি, ডিজিটালভাবে পাবলিক সেবা ব্যবহার করা, মোবাইল ব্যাংকিও এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতেতে যার প্রমান পাওয়া যায়। বাংলাদেশের ডিজিটাল এই অগ্রগতির ধারা মূলত: সজীব ওয়াজেদের হাত ধরে শুরু হয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বাংলাদেশের সকল ক্ষেত্রে অগ্রগতিতে তার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ভিষনভাবে সহায়তা প্রদান করেছে। বাংলাদেশেকে 2021 সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে ডিজিটাল বাংলাদেশের চলমান অবস্থা মূল ভূমিকা পালন করেছে। একইভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশের চলমান অবস্থা 2041 সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে মূল যোগান দিয়ে যাচ্ছে।কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, পেশা সহ সকল ক্ষেত্রে আজ ডিজিটালের উপর ভিত্তি করে অগ্রগতি সাধন হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে 1971 সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের সময় তার জন্ম হয়। যারফলে তার মাতামহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির বিজয়ের প্রতীক হিসেবে তার নাম “জয়” রাখেন। বাংলাদেশের বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী ডাঃ এম. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন তার পিতা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মাতা। এই বহুমুখী স্কলার ভারতের ব্যাঙ্গালুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে।এর পর জয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট থেকে জন প্রশাসনে স্নাতকোত্তর লাভ করে। তার জন্মগত ঐশ্বর্যকে পিছনে ফেলে তার নিজের কর্মের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে নিজেকে অধিক উজ্জল করতে সক্ষম হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে তার জীবনের কর্মের উজ্জলতা তার জন্মগত এশ্বর্যকে ম্লান করে দিয়েছে।
জঙ্গিবাদের অপতৎপরতা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা সহ নানাহ হুমকির মুখে জয় শুধু তার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাচাতে নয় দেশকেও বাচাতে বাংলাদেশে আসে।
2007 ও 2008 সালে সামরিক সরকারের দখলে থাকা দেশ একটি কালো অধ্যায়ের মধে পড়ে যায়। কুখ্যাত “মাইনাস টু” সূত্রটি খালেদা জিয়ার সাথে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকেও অর্থাৎ সজীব ওয়াজেদ জয়ের মাকেও সামরিক সরকারের রোষানলে ফেলে দেয়। খালেদা জিয়ার অপশাসনের জন্য তাকে গ্রেফতার করা হলেও ততকালীন বিরোধিদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয় কোন অভিযোগ ছাড়াই। সজীব ওয়াজেদ জয় তখন তার মা শেখ হাসিনাকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে ও দেশকে কালো অধ্যায় থেকে মুক্ত করার জন্য বিশ্বের মনোযোগ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়। জয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে তার মা শেখ হাসিনাক মুক্ত করা সম্ভব হয় এবং তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ 2008 ও 2014 সালের দুইটি জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে ।
2002 সালের 25 ফেব্রুয়ারীতে রংপুরে (তার পিতার পৈতৃক জেলা) আওয়ামী লীগের জেলা শাখার প্রাথমিক সদস্য হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক রাজনীতি শুরু হয়।দলের এই গ্রস লেবেলে তার অংশগ্রহন তাকে দলের নিম্ন পর্যায় থেকে নেতৃত্ব দিতে যেমন অনুপ্রানিত করেছে- তেমনি দলকে একদম গ্রস লেভেল থেকে নেতৃত্ব দিয়ে স্বার্থক করতে উদাহরন সৃষ্টি করেছে।
সজীব ওয়াজেদ জয় যুব সমাজের উতসাহের সমর্থক, যুবশক্তিতে বিশ্বাসী। সে যুব সমাজকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছিল যে, রজনীতি সংকীর্ন ব্যক্তি লাভের জন্য নয়, রাজনীতি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য।
জয় যুবকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে যুবকদের মতামত অবহিত হয়।যুবকেরা এই প্রথম তাদের মতামত একজন উদিয়মান নেতাকে অবহিত করতে সমর্থ হয়।তার উদ্দেশ্য ছিল- যুবকেরা রাজনীতিতে আসবে সমাজের ইতিবাচক কল্যানকর কাজ করতে।
প্রাথমি সদস্য হিসেবে আওয়ামী লীগে যোগদানের পর পরই জয় আইটি পলিসি বিশ্লেষক হিসেব তার সক্ষমতা নিয়ে সরকারের উচ্চকাঙ্খী “ডিজিটাল বাংলাদেশ” প্রকল্পের কনসেপ্ট পেপার এবং অ্যাকশন প্লান উন্মোচন করে; যার মধে ছিল- বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী আইসিটি শিল্পের বিকাশ করা এবং ব্যাপক পরিমাণে ই-গভর্নেন্স ও আইটি শিক্ষা শুরু করা। সে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনের লক্ষ্য অর্জনে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছিল। জনসংগঠনের সুবিধাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুবিধাকে সমানে রেখে ভবিষ্যতে বাংলাদেশেকে শীর্ষ আইটি আউটসোর্সিং হিসেবে গড়ে তোলা তার লক্ষ্য ছিল। অন্যান্য খাতকে ছাড়িয়ে আইটি সেক্টরের আয় বৃদ্ধির জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি আরোপ করে।
আইসিটি সেক্টরে তার দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশদ মনোযোগের সুবাধে গত 6 বছরে বাংলাদেশে এই সেক্টরে অবিশ্বাস্য অগ্রগতি ও উন্নতি সাধিত হয়েছে। আইসিটি রফতানি থেকে 2015 সালে ৳300 মিলিয়নেরও বেশি আয় হয়েছে।
তারই আপ্রান চেষ্টায় কয়েকটি হাই-টেক পার্ক স্থাপিত হয়েছে। হাজার হাজার যুবক আইসিটি সেক্টরে কর্মের জন্য প্রশিক্ষন নিচ্ছে এবং প্রশিক্ষন সমাপ্তির পর কর্মে যোগদান করছে। এক্ষেত্রে গবেষনার জন্য তারই উৎসাহে স্কলারশিপও দেওয়া হচ্ছে।বাংলাদেশ সরকারের বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় ওয়েব পোর্টাল, কয়েক শতাধিক মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন প্রয়োজনীয় সেবা সরবরাহ করে এবং গভর্নেন্স ও পাবলিক সেব উন্নত করে- তারই একান্ত প্রচেষ্টায় ।
দেশের অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করে গ্রামের দুর্গম এলাকায় ডিজিটালাইজেশন সেবা প্রদান করা হচ্ছে- তারই একান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে। মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বিপ্লবের সুবাধে বাংলাদেশে এখন মোবাইল ব্যাংকিং সেবার জন্য বিশ্বের কাছে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে বিবেচিত, এমনকি মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতাও প্রশংসা করেছ।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ মানুষের জীবনকে রক্ষা ও সচল রাখতে করোনাকে যেভাবে পরাস্থ করেছে – তার ব্যাখ্যা না করে বাস্তব অবস্থা দেখার জন্য পাঠককে অনুরোধ কর হলো। ধন্যবাদ সজীব ওয়াজেদ জয়কে।